৩৭ দিনের মধ্যে নতুন করে মেডিক্যালের স্নাতকে ভর্তির প্রবেশিকার আয়োজন করতে হয়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-কে (এনটিএ)। সুষ্ঠু ভাবে পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ বার চাপ ছিল আরও বেশি। তাই আয়োজক সংস্থার সদর দফতর থেকেই এক লক্ষেরও বেশি সিসি ক্যামেরার সাহায্যে বিভিন্ন কেন্দ্রে নজরদারি চলেছে।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ২৫০-র বেশি অবজার্ভার দেশের ৫৫১টি এবং বিদেশের ১৪টি শহরের মোট ৫,৪৪০টি কেন্দ্রে নজরদারি কাজ সামলেছেন। ওই সব কেন্দ্রের ৯৫ হাজারেরও বেশি ঘরে বসানো হয়েছিল ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৬০টি সিসি ক্যামেরা। আলাদা করে প্রতিটি কক্ষেই ছিলেন ইনভিজিলেটর। তবে পরীক্ষার্থীদের উপর নজরদারি করতে কৃত্রিম মেধার সাহায্যও নিয়েছে এনটিএ।
সংস্থার তরফে ওই প্রযুক্তির সাহায্যে একটি বিশেষ স্ক্যানারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে পরীক্ষার্থীদের অস্বাভাবিক গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়েছে। কোথাও কোনও সন্দেহজনক আচরণের আভাস পেলে কন্ট্রোল রুম থেকে কর্তব্যরত আধিকারিককে তা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে, সব নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশের মাঝে থাকা ওখলায় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-র (এনটিএ) সদর দফতর থেকে সরাসরি। ওই দফতরেই একটি খোলা হয়েছিল ‘ওয়ার রুম’। এনটিএ অধিকর্তা অভিষেক সিংহ জানিয়েছেন, রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার জন্য আলাদা করে ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেশন কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে জেলাশাসক, রাজ্য পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা ছিলেন, যাঁরা পরীক্ষা কেন্দ্রে শান্তি এবং শৃঙ্খলা বজায় রেখে পরীক্ষা শেষ করার কাজে সহযোগিতা করেছেন। পরীক্ষার দিন সদর দফতরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও।
প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য জ্যামার, দেহতল্লাশির বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে মোট ৫১ হাজার ৩১১ টি জ্যামার ব্যবহার করেছে এনটিএ। দেহতল্লাশির কাজে ৩৮ হাজার ৭৯৫ জন এবং বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের জন্য ছিলেন ৪৮,৪৪৮ জন কর্মী। এ ছাড়াও আলাদা করে মোতায়েন করা হয়েছিল প্রায় ৬,৭০০ ফিজ়িক্যাল অবজ়ার্ভারকে। যাঁদের নিয়ে পরীক্ষা শুরু হওয়ার একদিন আগে মক ড্রিল হয়েছিল বিভিন্ন কেন্দ্রে।