প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৬-এর দ্বিতীয় পর্বের জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়ামিনেশন-এর (জেইই মেন) সম্ভাব্য ‘আনসার কি’। প্রকাশের পরই নম্বর বিভাজন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি আয়জন করেছিল জেইই মেন ২০২৬। রসায়ন পরীক্ষা হয়েছিল ৫ এপ্রিল। সম্ভাব্য ‘আনসার কি’ প্রকাশের পরই অভিযোগ ওঠে, রসায়নের উত্তরে একাধিক গরমিল রয়েছে। যার ফলে পড়ুয়াদের সঙ্গে উত্তর মিলছে না, নম্বরেও হেরফের হচ্ছে!
এর পরই সম্পূর্ণ বিষয়টি আবারও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছিল এনটিএ। যদিও পরীক্ষার্থীদের বলা হয়েছিল, সম্ভাব্য আনসার কি প্রকাশের পর প্রার্থীরা উত্তর চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পাবেন তাঁরা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রতি প্রশ্নে ২০০ টাকা করে জমা দিতে হবে। এই টাকা ফেরতযোগ্য নয়। কিন্তু তার আগেই একাধিক পড়ুয়া অভিযোগ করায়, সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখে নতুন করে ‘আনসার কি’ প্রকাশ করল এনটিএ।
আরও পড়ুন:
এনটিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়েছে। রসায়ন পরীক্ষার উত্তরে সংশোধন করা হয়েছে এবং সংশোধিত সম্ভাব্য আনসার কি নতুন ভাবে পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা এ বার আনসার কি দেখে মিলিয়ে নিতে পারবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়ম মেনেই আপত্তি জানাতে পারবেন। তারপরই প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ‘আনসার কি’।
জেইই মেন শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও পরীক্ষা হয়েছিল। সৌদি আরব-সহ আর ১৩টি দেশে পরীক্ষা হয়। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির আঁচে পরিবর্তন করতে হয়েছিল সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি পরীক্ষাকেন্দ্র। ভারতের প্রায় ৩০৪টি শহরে পরীক্ষা নিয়েছে এনটিএ। মোট ৫৬৬টি পরীক্ষাকেন্দ্রে হয়েছে পরীক্ষা। দেশ বিদেশ মিলিয়ে ১১ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী বসেছিলেন এই প্রবেশিকায়।