Advertisement
E-Paper

স্কুলশিক্ষা দফতরকে বকেয়া টাকা দেবে কেন্দ্র, কিন্তু বার্ষিক পরিকল্পনার খাতে হয়ে যাওয়া কাজের টাকা মিলবে না

গত ১২ জুন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের এক বৈঠক হয় এবং ঠিক হয় যে বকেয়া টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু কী ভাবে বা কত পরিমাণ টাকা দেওয়া হবে সেটা সেদিন জানানো হয়নি। বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, পরে এই বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১৮:৩৭

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

সমগ্র শিক্ষা মিশনের বকেয়া টাকা যে পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া হবে সেটা আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু এ বারে কেন্দ্রের তরফে জানানো হল যে পুরোটা নয়, শিক্ষার অধিকার আইনে উল্লেখ রয়েছে এ রকম কিছু প্রকল্পের টাকাই শুধু দেওয়া হবে। কিন্তু বার্ষিক পরিকল্পনা খাতে যে টাকা বরাদ্দ হয় সেই অর্থ মিলবে না।

স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, গত তিন বছরে সমগ্র শিক্ষা মিশনের বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে ‘পিএম’ (প্রধানমন্ত্রী) যুক্ত হওয়ায় তার বিরোধিতা করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ না মেনে নেওয়ায় বহু প্রকল্পে যুক্ত হয়নি রাজ্য। মেলেনি বরাদ্দ অর্থও। তাই প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। গত ১২ জুন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের এক বৈঠক হয় এবং ঠিক হয় যে বকেয়া টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু কী ভাবে বা কত পরিমাণ দেওয়া হবে সেটা সেদিন জানানো হয়নি। বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, পরে এই বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

দফতরের এক কর্তা জানান, শিক্ষার অধিকার আইনে যে প্রকল্পের উল্লেখ রয়েছে সেক্ষেত্রে বকেয়া টাকা দেবে কেন্দ্র। কিন্তু এমন কিছু প্রকল্প রয়েছে যেগুলি বার্ষিক পরিকল্পনার উপরে ভিত্তি করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সেই খাতে কোনও টাকা দেবে না কেন্দ্র। যেমন পোশাক বা বইয়ের জন্য বকেয়া টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু প্রতি বছরে পরিকল্পনার উপরে ভিত্তি করে যে প্রকল্পগুলি রয়েছে সেখানে টাকা দেওয়া হবে না। কারণ ওই বছরের পরিকল্পনাগুলির কাজ সংশ্লিষ্ট বছরেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই ওই খাতে অর্থ মিলবে না। বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, নিয়ম অনুযায়ী, বছরে কোনও এক সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের স্কুলশিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে রাজ্যের সব স্কুলশিক্ষা স্তরের কর্তারা বৈঠকে বসেন। সেখানে গোটা বছরের পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। সেখানেই অর্থ বরাদ্দের প্রসঙ্গ উঠে আসে।

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘ দুই সরকারের দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে ক্ষতি হল রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার। তবু তার মধ্যেও যে শিক্ষার অধিকার আইনের প্রকল্পের টাকা পাওয়া যাবে এটাই ইতিবাচক। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই অর্থ পেতে আর সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’’

west bengal school education department

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy