নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তথ্য যাচাই শুরু হওয়ার কথা ছিল গত ডিসেম্বরে। আদালতে হলফনামা দিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) জানিয়েছিল ২৬ ডিসেম্বর শুরু হবে সেই কাজ। কিন্তু তার পর প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গিয়েছে, শুরু করা যায়নি তথ্যযাচাই প্রক্রিয়া।
অবশেষে এসএসসি জানাল ২০ মার্চের পর নবম-দশমের প্রার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ইতিমধ্যেই নবম-দশম শ্রেণির জন্য নিয়োগ পরীক্ষায় বসেছেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারা শিক্ষকেরা। তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে ভবিষ্যৎ নিয়ে। আবার বহু বছর পর শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হওয়ায় উৎকণ্ঠা রয়েছে নতুন চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যেও। ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা চিন্তিত, আদালতের বেঁধে নেওয়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে তাঁদের ‘সার্ভিস ব্রেক’ হতে পারে।
আরও পড়ুন:
এ প্রসঙ্গে এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “৮ই মার্চ গ্রুপ-ডি পরীক্ষা। গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি মিলিয়ে ১৬ লক্ষেরও বেশি ওএমআর শিট, নানা ধরনের নথি সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রায় ৮-১০ দিন সময় লাগবে। সে সব মিটলেই নবম-দশমের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আশা করছি ২০ মার্চের পর এই প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।”
কিন্তু তাতে আশঙ্কা কাটছে না নবম-দশম চাকরিপ্রার্থীদের। তাঁদের প্রশ্ন, এর পর বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব শেষ করা যাবে তো?
এ প্রশ্নের যৌক্তিকতাও রয়েছে। হিসাব বলছে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য শিক্ষকদের শূন্যপদ ১২,৪৪৫। নবম-দশমে সেই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। ফলে সময় লাগবে অনেক বেশি। এ দিকে একাদশ-দ্বাদশের চাকরিপ্রার্থীদের সকলকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়নি এখনও। ৩৫ টি বিষয়ের মধ্যে মাত্র সাতটি বিষয়ের ১৮২ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। তাঁরা কবে কাজে যোগ দেবেন, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
যদিও এসএসসি-র তরফে দাবি করা হয়েছে, শীঘ্রই দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে।