Advertisement
E-Paper

ভুল নেই মূল্যায়নে! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট কমিটির

পড়ুয়াদের আন্দোলনের চাপে সে বছর ওই দুই শিক্ষককে কারণ দর্শাতে বলা হয়। বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে তাঁদের দেখা খাতা ফের খতিয়ে দেখার জন্য গঠন করা হয় কমিটিও। এর মধ্যে অভিযোগকারী পড়ুয়ারা পাশ করে গিয়েছেন। কেউ কেউ চাকরিও পেয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি ওই কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন শিক্ষকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ১৭:৩০
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছবি: সংগৃহীত।

খাতা দেখায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পড়ুয়াদের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দেখা খাতা ফের খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠনও করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বার সেই কমিটির রিপোর্টেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেন এক শিক্ষক, মৌখিক ভাবে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে অন্য শিক্ষককে।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা এবং গণজ্ঞাপন বিভাগের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ২০২৩-২৫ শিক্ষাবর্ষের পড়ুয়ারা। দাবি করেন, একটি বিষয়ের পরীক্ষার খাতা না-দেখেই নম্বর বসানো হয়েছে। ওঠে রাজনীতির প্রসঙ্গও। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপনের শিক্ষক অভিষেক দাস এবং সান্ত্বন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ‘দলীয় রং’ দেখে পরীক্ষার্থীকে নম্বর দেওয়ার।

পড়ুয়াদের আন্দোলনের চাপে সে বছর ওই দুই শিক্ষককে কারণ দর্শাতে বলা হয়। বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে তাঁদের দেখা খাতা ফের খতিয়ে দেখার জন্য গঠন করা হয় কমিটিও। এর মধ্যে অভিযোগকারী পড়ুয়ারা পাশ করে গিয়েছেন। কেউ কেউ চাকরিও পেয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি ওই কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন সান্ত্বন। শনিবার তিনি বলেন, “আমি কোনও অন্যায় করিনি। নিজেই কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলাম যেন তদন্ত করা হয়। নিজের উপরে আমার আস্থা ছিল। আজ সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।”

সূত্রের খবর, ২০২৪-এ আন্দোলন শুরু হওয়ার পরে বিভাগীয় বোর্ড অফ স্টাডিজ়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, চূড়ান্ত সেমেস্টারের পরীক্ষার খাতা ফের দেখানো হবে বাইরে থেকে আসা বিশেষজ্ঞকে দিয়ে। তার পরই আন্দোলন তোলেন পড়ুয়ারা। এক শিক্ষক এ প্রসঙ্গে বলেন, “পড়ুয়ারা আন্দোলনের নামে সে বার সান্ত্বনকে হেনস্থা করেছিলেন। তাই এটা প্রমাণ হওয়া খুবই প্রয়োজন ছিল।” সম্প্রতি ওই কমিটির দেওয়া রিপোর্টে জানা গিয়েছে, সান্ত্বন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তবে অভিষেকের দেখা খাতার কোনও কোনও বিষয় নিয়ে তাঁকে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি শিক্ষক।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা বলেন, “এ রাজ্যের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে একটি প্যানেল তৈরি করা হয়েছিল। ওই কমিটি সব খাতা খতিয়ে দেখেছে। সান্ত্বন চট্টোপাধ্যায়ের খাতায় কোনও ভুল নেই। কারও নম্বর অযথা কাটা বা কাউকে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।” তবে জানা গিয়েছে, অভিষেক দাসের দেখা কিছু খাতায় কিছু ভ্রান্তি ছিল। সে কারণে তাঁকে মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্তা।

Jadavpur University complain
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy