মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষায় নজিরবিহীন ভাবে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছিল এ রাজ্যে। প্রায় প্রতিটি পরীক্ষায় ধরা পড়েছিল মোবাইল ফোন পরীক্ষার্থীদের কাছে। কৃত্রিম মেধাকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষায় টোকাটুকি করার পরিস্থিতি ২০২৬-এর আগে কখনও তৈরি হয়নি বলে দাবি করেছিলেন কর্তৃপক্ষ। এমনকি স্কুল সার্ভিস কমিশন আয়োজিত শিক্ষাকর্মী নিয়োগ পরীক্ষায়ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিল হয়েছিল বেশ কয়েকজনের।
এ বার সেই কৃত্রিম মেধাকে কাজে লাগিয়েই টোকাটুকি ধরার চেষ্টা করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। রাজ্য সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় যাতে কোনও কারচুপি না হয়, সে জন্য প্রযুক্তিকে নজরদারির কাজে ব্যবহার করা হবে।
সম্প্রতি ওই রাজ্যের সরকারি বিভাগের বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষায় কারচুপির অভিযোগ প্রকাশ্য এসেছে। ২০২৫-এ বাতিল করতে হয়েছে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষাও। প্রযুক্তির সাহায্যে টোকাটুকি করতে গিয়ে ধরাও পড়েছে অনেকে। তাই প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করেই পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা আটোসাঁটো করতে বিশেষ পদক্ষেপ করছে উত্তরপ্রদেশ এডুকেশন সিলেকশন কমিশন।
আরও পড়ুন:
কমিশনের চেয়ার পারসন প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন, নিয়োগ পরীক্ষা যাতে সম্পূর্ণ অবাধ, স্বচ্ছ এবং শান্তিপূর্ণ হয়, সে জন্যই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। কমিশনের সদর দফতরে একটি কন্ট্রোল রুম থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। কৃত্রিম মেধা পরিচালিত ক্যামেরার সাহায্যে ওই কেন্দ্রের সমস্ত ছবি এবং ভিডিয়ো সদর দফতরে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকছে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে বসে কেউ মোবাইল ব্যবহার করলে, কিংবা টোকাটুকির চেষ্টা করলে ওই ক্যামেরার মাধ্যমে তা ধরা পড়বে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও রকম অনিয়ম এ ক্ষেত্রে বরদাস্ত করা হবে না।