Advertisement
E-Paper

চুক্তিতে কালো তালিকাভুক্তির নিয়ম বাদ দিয়েছিল সিবিএসই! দ্বাদশ শ্রেণির মূল্যায়ন বিতর্কে নয়া তথ্য

এ বারই প্রথম দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য বিশেষ অন-স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল সিবিএসই। এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের প্রযুক্তিগত দিকটি দেখার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল তৃতীয় পক্ষের এক সংস্থাকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ১৮:১৩
সিবিএসই।

সিবিএসই। ছবি: সংগৃহীত।

সিবিএসই-র বিরুদ্ধে উঠছে অনিয়মের অভিযোগ। কোএম্পট এডুটেক-কে দরপত্র পাইয়ে দেওয়ার আগে চুক্তিপত্র থেকে কালো তালিকাভুক্তির ধারা বাদ দেওয়া হয়েছিল, সম্প্রতি জানা গিয়েছে এমনই। তাই নতুন করে প্রশ্ন উঠছে কেন ওই বিতর্কিত সংস্থার উপর লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থীর খাতা দেখার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হল?

এ বারই প্রথম দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য বিশেষ অন-স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল সিবিএসই। এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের প্রযুক্তিগত দিকটি দেখার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল তৃতীয় পক্ষের এক সংস্থাকে। অভিযোগ, কোএম্পট এডুটেক-এর মতো বিতর্কিত সংস্থাকে খাতা দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে বার বার অভিযোগ করেছেন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। এ বার জানা যাচ্ছে, হায়দরাবাদের ওই বিশেষ সংস্থাকে কাজ দেওয়ার আগে চুক্তির বিশেষ ধারা বাদ দিয়েছিল সিবিএসই।

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সিবিএসই ওএসএম সংক্রান্ত দরপত্র আহ্বান করার সময় যে চুক্তি তৈরি করেছিল, একমাসের মধ্যেই তা পরিবর্তন করে ফেলে। সেখানে বাদ দেওয়া হয় ‘ব্ল্যাকলিস্টিং ক্লজ’।

জানা গিয়েছে, গত বছর অগস্টে সিবিএসই-র তরফে দরপত্র সংক্রান্ত যে নথি প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে বলা হয়েছিল এই কাজের ক্ষেত্রে কোনও গুরুতর ত্রুটি হলে সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি তাদের পিবিজি বা পারফর্ম্যান্স ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং চুক্তি বাতিল করে দেওয়া হবে। কিন্তু ১৩২ পাতার ওই চুক্তিপত্র পরে বদলে যায় ৬ পাতায়। সেখানে চুক্তি বাতিল এবং বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা থাকলেও সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার অংশটি বাতিল করা হয়।

সিবিএসই এ প্রসঙ্গে দাবি করেছে, পরিষেবা প্রদানকারী তৃতীয় পক্ষ হিসাবে এই কাজে যুক্ত ছিল টিসিএস। তারাই জানিয়েছিল, চুক্তিতে কালো তালিকাভুক্তির কথা উল্লেখ না থাকলেও কোনও বড় সমস্যা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করাই যায়। সে কারণেই ২৮ অগস্ট ২০২৫-এ ওই ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা সরিয়ে ফেলা হয়।

CBSE 2026
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy