Advertisement
E-Paper

স্কুলের প্রার্থনায় ‘বন্দে মাতরম্‌’! রাজ্য সঙ্গীতও কি থাকছে তালিকায়? নয়া নির্দেশিকার পর প্রশ্ন শিক্ষকদের

গত বছরেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটিকে রাজ্য সঙ্গীত আখ্যা দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বহু বছর আগে থেকেই স্কুলের প্রার্থনার সময়ে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন অধিনায়ক’ গান গাওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ১৬:০৩

— প্রতীকী চিত্র।

সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে প্রার্থনার সময়ে গাইতে হবে ‘বন্দে মাতরম্‌’ গান। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রগান হিসাবে পরিচিত ‘বন্দে মাতরম্‌’ রচনার ১৫০ বছর উদ্‌যাপনের সময়ে এ রাজ্যে এই নির্দেশ কার্যকর হতে চলেছে।

গত মঙ্গলবার বিকাশ ভবন থেকে এই মর্মে রাজ্যের সব জেলা স্কুল পরিদর্শদের (ডিআই) কাছে হোয়াটস অ্যাপ মারফত এই নির্দেশ এসেছে। তারপরে বিভিন্ন ডিআইরা কেউ একই ভাবে হোয়াটস অ্যাপে বা ই-মেল করে সব স্কুকে এই নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি রয়েছে। তাই আগামী সোমবার স্কুল খোলার পরেই যেন এই নির্দেশ কার্যকর করা হয় তার জন্য আগাম প্রস্তুতির জন্য ইতিমধ্যে উদ্যোগী হয়েছে বিভিন্ন স্কুল।

গত বছরেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটিকে রাজ্য সঙ্গীত আখ্যা দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বহু বছর আগে থেকেই স্কুলের প্রার্থনার সময়ে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন অধিনায়ক’ গান গাওয়া হয়। সঙ্গে বিভিন্ন স্কুলে নানা ধরনের গান হয়। গত বছর সরকারি তরফে নির্দেশ যায়, রাজ্য সঙ্গীতও গাইতে হবে প্রার্থনা সভায়। এ বার ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আনন্দমঠ উপন্যাস থেকে সংগ্রহ করা এই গানকেও স্কুলের প্রার্থনায় যুক্ত করাতে উদ্যোগী হল বিজেপি সরকার। কেন্দ্রের তরফে নভেম্বর ২০২৫ থেকে নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বন্দে মাতরম্‌ গানের ১৫০ বছর উদযাপন করছে।

স্কুল শিক্ষকেরা অবশ্য প্রশ্ন তুলছে, তা হলে কি জাতীয় গান, রাজ্য সঙ্গীত এবং জাতীয় সঙ্গীত— তিনটি গানকেই প্রার্থনার সময়ে গাইতে হবে? না কি বাদ যাবে রাজ্য সঙ্গীত?

এ বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট ভাবে কিছু জানা যায়নি। শিক্ষক নেতার স্বপন মণ্ডলের বক্তব্য, “বর্তমান রাজ্য সরকার এই বিষয়টি স্পষ্ট করলে ভাল হয়।” তবে দক্ষিণবঙ্গের এক ডিআই জানিয়েছেন, দফতর থেকে এখনও বিস্তারিত ভাবে কিছু জানানো হয়নি। কোনটা আগে বা পরে হবে সেটা নিয়েও অনেকের জিজ্ঞাস্য রয়েছে। দফতরের নির্দেশ পেলে তবেই স্পষ্ট হবে। আপাতত সব স্কুলকে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার জন্য দফতরের এই মেসেজকে পাঠানো হয়েছে।

তবে কলকাতার বিটি রোড হাই স্কুলের প্রধানশিক্ষিকা সঙ্ঘমিত্রা ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে কোনও দিনই রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া হয়নি। কিন্তু বন্দেমাতরম্‌ গানটি অনেক আগে থেকেই প্রার্থনায় গাওয়া হয়। সঙ্গে আরও কিছু প্রার্থনা থাকে। একদম শেষে জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে প্রার্থনা শেষ হয়।’’

Vandemataram
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy