Advertisement
E-Paper

আই-প্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে, মামলায় সওয়ালের জন্য সময় চাইলেন সলিসিটর জেনারেল

বুধবার আই-প্যাক মামলায় সওয়াল করার জন্য সময় চান কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আদালতকে তিনি জানান, মামলার শুনানি মুলতবি রাখা হোক। তার পরেই শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ১৫:৪৯
আই-প্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে।

আই-প্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। —ফাইল চিত্র।

সুপ্রিম কোর্টে আই-প্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। বুধবার এই মামলায় সওয়াল করার জন্য সময় চান কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আদালতকে তিনি জানান, মামলার শুনানি মুলতবি রাখা হোক। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চ জানিয়েছে, আগামী ২২ মে এই মামলার শুনানি হবে।

এর আগে গত এপ্রিল মাসের শুনানিতে আই-প্যাক মামলার শুনানি হয়েছিল। ওই শুনানিতে তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। রাজ্যের তরফে আদালতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি তোলা হয়। বিচারপতি মিশ্র বলেছিলেন, “যদি কোনও মন্ত্রী হঠাৎ করে একটি চলমান তদন্তের মধ্যে ঢুকে পড়েন এবং সেটাকে সমান্তরাল ভাবে গণতন্ত্রের মতো চালাতে চান, আর তার পর বলেন—এটা নাকি কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বিরোধ—তা হলে কি সেটা গ্রহণযোগ্য?’’ কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়, ওই ঘটনায় গুরুতর অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য সরিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে।

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওই তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি। ইডির বিরুদ্ধে আদালতে যায় রাজ্যের তৃণমূল সরকারও। গত ১৫ জানুয়ারির শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে।

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছিল ইডি। সেই সময় রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা। হলফনামায় রাজ্যের তরফে পাল্টা দাবি করা হয়েছিল যে, আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে ইডির অভিযান সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) পরিপন্থী।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, তার ফলে আদালতে রাজ্যের অবস্থানেও বদল আসতে চলেছে। এই আবহে আই-প্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে।

I-Pac Supreme Court ED
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy