সোহরাবুদ্দিন ভুয়ো সংঘর্ষ হত্যা মামলায় সামান্য হলেও স্বস্তি মিলল বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের। চার্জ গঠন না হওয়া পর্যন্ত আদালতে হাজিরায় ছাড় পেলেন এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অমিত। সোমবার এই নির্দেশ দেয় মুম্বইয়ে সিবিআইয়ের এক বিশেষ আদালত। বিজেপি সভাপতি অবশ্য মামলা চলাকালীন পুরোপুরি ভাবে হাজিরায় ছাড়ের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু এ দিন সেই আবেদন আংশিক ভাবে গ্রাহ্য করেন বিশেষ বিচারক বি এস লোয়া। মামলায় অভিযোগকারী সোহরাবুদ্দিনের ভাই রুবাবুদ্দিনের আবেদন মেনে চার্জশিটের ইংরাজি কপি তাঁকে দেওয়া হবে বলে এ দিন জানান বিশেষ বিচারক।
২০০৫ সালের নভেম্বরে গাঁধীনগরে সোহরাবুদ্দিন এবং তাঁর স্ত্রী কওসরকে ভুয়ো সংঘর্ষে খুন করার অভিযোগ ওঠে গুজরাত পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখার বিরুদ্ধে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, খুনের কিছু দিন আগে থেকেই সোহরাবুদ্দিনকে রক্ষা করার জন্য টাকা চেয়ে ফোন করেন বলে অভিযোগ ওঠে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। খুনের প্রত্যক্ষদর্শী এবং সোহরাবুদ্দিনের বন্ধু তুলসিরাম প্রজাপতিও পরের বছর ডিসেম্বরে চাপড়ি গ্রামে একই ভাবে খুন হন বলে অভিযোগ ওঠে। সে বারও অভিযোগের তির ছিল পুলিশের একই শাখার বিরুদ্ধে।
ওই দু’টি ঘটনারই তদন্ত শুরু করে সিবিআই। মুম্বইয়ের আদালতে একই সঙ্গে মামলা দু’টি শুরু হয়। সোহরাবুদ্দিন মামলায় গুজরাতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ওই চার্জশিটে বহু পুলিশ আধিকারিকের নামও রয়েছে। অমিত শাহের বিরুদ্ধে ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠে। সাক্ষীদের জীবনহানির আশঙ্কার অভিযোগে মামলাটি আমদাবাদ থেকে মুম্বইয়ে স্থানান্তরিত করা হয়। আগামী ২১ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।