প্রথম দফার ভোটে লড়াইয়ের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১৫৮৬ জন প্রার্থী। সোমবারই ছিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমার শেষ দিন। আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে। ওই ১৫২ আসনের জন্য মোট ২৩০৪টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে (এক জন প্রার্থী একের বেশি মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন। তবে স্ক্রুটিনির পরে একটি মনোনয়নপত্রই গৃহীত হয়)।
গত বিধানসভা ভোটে এই আসনগুলি থেকে মোট ১০৬২জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এ বার প্রাথমিক ভাবে তার প্রায় দেড় গুণ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিলেন। তবে এই মনোনয়নপত্রগুলির ঝাড়াইবাছাই প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। মঙ্গলবার প্রথম দফার ভোটের জন্য জমা হওয়া মনোনয়নপত্রগুলি স্ক্রুটিনি করবে কমিশন। তার পরে কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে চাইলে বৃহস্পতিবারের মধ্যে তা করতে পারেন।
প্রথম দফার ভোটে কোন আসনে কত প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, কতগুলি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে, সেই তথ্য ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেখানে মনোনয়ন জমা পড়েছে ২৩ জনের। মেখলিগঞ্জে ১৮ জন এবং কোচবিহার দক্ষিণে ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া মাথাভাঙা, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, গাজোল, ডোমকল এবং সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্রেও ১৫ জন করে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে সবেচেয়ে কম প্রার্থীর মনোনয়ন জমা পড়েছে বাঁকুড়ার শালতোড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। এই তিন আসনেই ছ’জন করে প্রার্থীর মনোনয়ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন, মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম এবং দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্রে সাত জন করে প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এ বার দুই দফায় ভোট। বাকি সর্বত্র এক দফাতেই হবে ভোটগ্রহণ। রাজ্যে প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ১৫২টি আসনে। দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে ১৪২ আসনে। গণনা আগামী ৪ মে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত