Advertisement
E-Paper

পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখবেন স্কুল কাউন্সেলর, কোন যোগ্যতায় মিলবে সুযোগ?

প্রতিটি বোর্ড অধীনস্থ স্কুলে পূর্ণ সময়ের জন্য কাউন্সেলিং এবং ওয়েলনেস শিক্ষক থাকতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩৭
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

ছোটদেরও মনখারাপ হয়— এ বিষয়টা দীর্ঘদিন গুরুত্ব দিয়ে দেখতেন না বড়রা। কিন্তু আধুনিক বিশ্বের ইঁদুর দৌড়ে ছোটদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্কট এতখানি বেড়েছে, যাতে বিষয়টি নিয়ে আর না ভাবলেই নয়। আর সে ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় দায়িত্ব রয়েছে। বাড়ির পর পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার মুখ্য দায়ভার থাকে স্কুলগুলিরই।

সম্প্রতি প্রতিটি স্কুলে কাউন্সেলর বা ওয়েলনেস টিচার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় যোগ্যতামানও। সিবিএসই-এর তরফে জানানো হয়েছে, বোর্ড অধীনস্থ স্কুলে প্রতি ৫০০ জন পড়ুয়া পিছু একজন ‘সোশিয়ো-ইকোনমিক কাউন্সেলর’ বা কাউন্সেলিং এবং ওয়েলনেস শিক্ষক থাকতে হবে।

বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলে পড়ুয়াদের যে কোনও সমস্যার ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে নিযুক্ত কাউন্সেলরকে। পড়ুয়ার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করা গেলে, তার সঙ্গে কথা বলবেন কাউন্সেলর। সে ক্ষেত্রে তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে। প্রয়োজনে পড়ুয়ার অভিভাবক এবং স্কুলের অন্য শিক্ষকদের সঙ্গেও কথা বলতে হবে কাউন্সেলরকেই।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদ রেখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অনেক সময়ই দেখা যায়, বাড়িতে সঠিক পরামর্শ দেওয়ার কেউ নেই। ছোটদের অধিকাংশ সময় স্কুলেই কাটে, তাই স্কুল কাউন্সেলর এ ক্ষেত্রে নানা ভাবে সাহায্য করতে পারেন।” তিনি জানান, বর্তমানে স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে অনেক অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায়। এমনকি পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে একে অপরকে হেয় করতে চাইছে পড়ুয়ারা। সে ক্ষেত্রে তাদের ঠিক-ভুলের ফারাক বুঝিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারেন কাউন্সেলরেরা। তাঁর কথায়, “এখন অধিকাংশ সময়ে পড়াশোনা বা অবসরেও অনেক বেশি ফোন ঘাঁটে ছোটরা। সেখান থেকে অনেক কিছুই শেখে। তা ছাড়া, বয়ঃসন্ধিকালে ওদের মানসিক স্বাস্থ্যেও অনেক পরিবর্তন আসে। তাই ওদের মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার জন্যও বড় ভূমিকা পালন করবেন এই কাউন্সেলরেরা।”

কোন যোগ্যতা থাকলে হয়ে ওঠা যায় কাউন্সেলর—

বোর্ড সূত্রে খবর, যাঁদের মনোবিদ্যায় স্নাতক বা স্নাতকোত্তর রয়েছে, তাঁরা এই পদে আবেদন করতে পারবেন। স্পেশ্যালাইজ়েশনে থাকতে হবে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, কাউন্সেলিং সাইকোলজি, অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি বা এডুকেশনাল সাইকোলজি-র মতো বিষয়।

এ ছাড়া যাঁদের সোশ্যাল ওয়ার্কে স্নাতকোত্তর হলেও আবেদন করতে পারবেন। তাঁদের ক্ষেত্রে স্পেশ্যালাইজ়েশন থাকতে হবে মানসিক স্বাস্থ্য বা কাউন্সেলিং।

তবে অন্য কোনও বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর যোগ্যতাসম্পন্ন কোনও ব্যক্তির কাউন্সেলিং বা চাইল্ড গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সেলিংয়ে ডিপ্লোমা থাকলেও তিনি এই পেশায় আসতে পারেন।

School Counsellor CBSE School Counsellor career after graduation School Counsellor Job Prospects
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy