মনের সুস্থতা বজায় রাখতে যন্ত্রমেধা কতটা সাহায্য করে? উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রযুক্তিকে ওই কাজের জন্য কী ভাবে ব্যবহার করা হয়? সে সব নিয়েই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা চলছে। সেই প্রকল্পে গবেষক নিয়োগ করা হবে। শূন্যপদ তিনটি।
রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ইন্টারভিউয়ার পদে ওই তিনজনকে কাজ করতে হবে। তাঁদের সমাজবিজ্ঞান কিংবা কলা শাখার অধীনস্থ সমতুল বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি, তাঁদের ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং কৃত্রিম মেধা নিয়ে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এ ছাড়াও প্রার্থীদের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (নেট) উত্তীর্ণ হতে হবে।
অবশ্য যাঁদের উল্লিখিত বিষয়ে ডিগ্রি রয়েছে, কিন্তু স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট (সেট) পাশ করেছেন, তাঁরাও কাজের সুযোগ পেতে পারেন। সরাসরি ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক, আইআইটি কানপুরের আর্থিক সহায়তায় ‘রোল অফ এআই ইন মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইনক্লুশন ইন হায়ার অ্যাকাডেমিক ইনস্টিটিউশনস’ নিয়ে গবেষণার কাজ করছে বিশ্বভারতী। তাই নিযুক্তদের প্রতি মাসের পারিশ্রমিক হিসাবে ৯,০০০ টাকা থেকে ১৮,০০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট দু’মাসের চুক্তিতে কাজ চলবে।
আগ্রহীদের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারভিউয়ের জন্য আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর কম্পারেটিভ লিটারেচার-এ ১৯ জানুয়ারি ইন্টারভিউ হতে চলেছে। ওই দিন আগ্রহীদের জীবনপঞ্জি-সহ আনুষঙ্গিক নথি সঙ্গে রাখতে হবে।