কোনও ছবির শুটিং চলাকালীন মৃত্যুভয়ে সন্ত্রস্ত হয়ে থাকেন আমির খান। বিমানে ওঠার আগেও নানা ভাবনা মাথায় আসে তাঁর। তাই বিমানযাত্রার আগে নির্দিষ্ট একটি কাজ করেন আমির। কার দ্বারস্থ হন তিনি?
২০০০ সালের ছবি ‘জোশ’ সাড়া ফেলেছিল দর্শকমহলে। তবে তার পরে আর ছবি পরিচালনায় থাকেননি মনসূর খান। তবে তিনি এখনও তুতো-ভাই তথা দীর্ঘ দিনের সহকর্মী আমিরের কাজের পাশে থাকেন। পরিচালনা, প্রযোজনা বা অন্য কাজ সংক্রান্ত প্রয়োজন হলেই এখনও মনসূরের দ্বারস্থ হন আমির। এমনকি মৃত্যু ভয়তেও তাঁর উপরেই নাকি ভরসা করেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’।
আরও পড়ুন:
কোনও ছবি চলাকালীন নানা ভাবনা চলতে থাকে আমিরের মাথায়। ছবির কাজ চলতে চলতে যদি মৃত্যু হয়! এমন ভাবনাও বলি তারকার মাথায় আসে। সেই সময়ে মনসূরের উপর নির্ভর করেন আমির। এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, “শুটিং শেষ হয়ে গেলে যখন পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলে, তখন আমি সব সময়ে মনসূরকে একটি চিঠি লিখে রাখি। আসলে আমি খুব চিন্তায় থাকি। যদি আমার বিমান ভেঙে পড়ে এবং আমি মারা যাই? আমি চাই না, আমার মৃত্যু হলে গোটা ছবিটাই নষ্ট হয়ে যাক। তখন যাতে মনসূর সবটা দেখে, সেটা ওকে বলে রাখি। বিমানে ওঠার আগে এই একটা কাজ করি আমি।”
মনসূর সম্পর্কে আমির আরও বলেছেন, “তিনি এমন একজন মানুষ, যার উপর আমি সম্পূর্ণ ভরসা করতে পারি। আমি কিরণকেও বলেছি, যদি আমার কিছু হয়, তা হলে মনসূরের সঙ্গে আলোচনা করে নিও।” আমির ও মনসূর একসঙ্গে কাজ করেছেন ‘কয়ামত সে কয়ামত তক’, ‘জো জিতা ওয়াহি সিকন্দর’, ‘অকেলে হম অকেলে তুম’-এর মতো ছবিতে।