হঠাৎ কি আধ্যাত্মিকতায় মন দিলেন সঞ্জয় দত্ত? ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে। সফল হওয়ার পরেই নেপাল বেড়াতে গেলেন তিনি। আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি নেপালের খাওয়াদাওয়ায় মন দিলেন আর সেখানকার মানুষের সঙ্গে দেখাও করলেন। বহু বছর ধরে কাঠমান্ডুর পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের ইচ্ছা ছিল সঞ্জয়ের। সেই ইচ্ছা পূরণ হল তাঁর।
গত বছরই নেপাল যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই সময়ে নেপাল উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বলে আর যাওয়া হয়নি সঞ্জয়ের। এ বার তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন বন্ধু তথা অভিনেতা রাহুল মিত্র। সঞ্জয় বরাবরই শিবভক্ত। তাই এই মন্দির দর্শনের পরিকল্পনা ছিল। কারাবাসে থাকাকালীনও একসময়ে শিবপুরাণ পড়তেন। এই প্রসঙ্গে তাঁর বন্ধু রাহুল বলেছেন, “শিবের সঙ্গে সঞ্জুর এক অদ্ভুত যোগ রয়েছে। বাবার ডাক এসেছে এ বার, তাই যেতে তো হবেই।” তাই এ বার আর দ্বিতীয় বার না ভেবে তাঁরা নেপাল চলে যান।
আরও পড়ুন:
নেপালের অনুরাগীদের সঙ্গে দেখাও করেন সঞ্জয়। খুব অল্প সময় হলেও ভক্তদের নিরাশ করেননি তিনি। তবে তাঁদের আর একটি আকর্ষণ ছিল নেপালের স্থানীয় খাবার। রাহুল জানান, তিনি ও সঞ্জয় অরুণাচল প্রদেশ, রাজস্থানের মতো জায়গায় বেড়াতে গেলে ওখানকার খাবার চেখে দেখার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকতেন। সেই একই বিষয় প্রযোজ্য নেপালের ক্ষেত্রেও। নেপালেও স্থানীয় খাবারের দিকে মন তাঁদের, যেমন ভাত, ডাল, মুসুর ডালের বড়া, ডাম্পলিং, নুড্ল স্যুপ, মটন কাটিয়ার মতো নানা খাবার।
উল্লেখ্য, ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে সঞ্জয়ের চরিত্রের নাম চৌধরি আসলাম এবং তিনি এক জন পুলিশ। কিন্তু সত্যিই কি ‘ধুরন্ধর’-এ পাকিস্তানি পুলিশকর্তা আসলাম খানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সঞ্জয়? এই নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। অনেকে তেমনটা দাবি করলেও ছবির নির্মাতাদের তরফে সে কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হয়নি।