পনিরের তরকারি তবু কোনও মতে খেয়ে নেন। কিন্তু মাংসের বিকল্প হিসাবে সয়াবিনের তরকারি খেতে পছন্দ করেন না মোটেই। এমন মানুষ আশপাশেই রয়েছেন। যাঁরা রাতে সয়াবিনের তরকারি হয়েছে শুনে হয়তো খেতেই বসলেন না। এই রেসিপিটি তাঁদের জন্য। রান্নার পদ্ধতিটি এতই সহজ যে কেউ বানাতে পারবেন। আলাদা প্রস্তুতির দরকার নেই। অনেকরকম মশলাপাতি বাটাবাটি, মাখামাখিরও প্রয়োজন নেই। এ রান্না সহজ কয়েকটি ধাপে তৈরি করে ফেলা যাবে ১৫ মিনিটের মধ্যেই। নাম নিজের ইচ্ছেমতো দিতে পারেন। ধরে নিন রেশমি সয়া মালাই! তবে নাম যাই হোক স্বাদ এতটাই ভাল হবে যে, অতি বড় সয়াবড়ি অপছন্দকারীও চেয়ে খাবেন।
কী ভাবে বানাবেন?
উপকরণ:
২০-২৫টি সয়াবড়ি
২ টেবিল চামচ দই
৮-১০টি গোটা গোলমরিচ
৩-৪টি শুকনো লঙ্কা
এক গাঁট মাপের আদার টুকরো
৫-৬টি রসুনের কোয়া
আধ চা চামচ হলুদগুঁড়ো
আধ চা চামচ ধনেগুঁড়ো
আধ চা চামচ গরম মশলা
১ চা চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
১ টেবিল চামচ তেল
ধনেপাতা কুচি
পেঁয়াজ কুচি (সরু করে কাটা)
প্রণালী:
সয়াবড়িগুলো গরম জলে ডুবিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন। নরম হলে গেলে জল নিকড়ে তুলে রাখুন।
ব্লেন্ডারে দই, গোলমরিচ, শুকনো লঙ্কা, রসুন, আদা এবং সমস্ত গুঁড়ো মশলা আর নুন দিয়ে ভাল ভাবে বেটে নিন।
এ বার প্যানে তেল গরম গরে সয়াবড়ি গুলো সামান্য হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো মাখিয়ে ভাজতে দিন। হালকা লালচে ভাব এলে ঢেলে দিন বেটে রাখা মশলা।
ভাল ভাবে নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে রান্না হতে দিন। তেল ছেড়ে এলে আরও এক বার নাড়া চাড়া করে প্রয়োজন হলে খুব সামান্য জল দিয়ে উপরে ধনোপাতা আর পেঁয়াজকুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
চাইলে এর উপরে ক্রিমও ছড়িয়ে দিতে পারেন। তবে তা ছাড়াও ভাল লাগবে খেতে। এই একই মশলা দিয়ে সয়াবড়ির মতো করে পনির বা মুরগির মাংসের টুকরোও রাঁধা যাবে।