আইপিএলে আরও এক ইনিংসে ২২০ রানের বেশি হল। আরও এক বার দেখা গেল ব্যাটারদের দাপট। পাল্লা দিয়ে দিশাহীন বোলিং রাজস্থান রয়্যালসের বোলারদের। তা কাজে লাগালেন শুভমন গিল ও সাই সুদর্শন। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৯ রান করল গুজরাত টাইটান্স।
যে জফ্রা আর্চার এ বারের আইপিএলে তিন ম্যাচে প্রথম বলেই উইকেট নিয়েছেন, সেই তিনিই রাজস্থানের সমস্যার শুরুটা করে দিলেন। ওভার শুরু করলেন চার দিয়ে। সেই ওভারে চারটি ওয়াইড ও একটি নো বল করলেন তিনি। একটি ওয়াইডে তো চার রান এল। মোট ১১ বলের ওভার করলেন তিনি, যা আইপিএলে বলের নিরিখে সর্বাধিক। মহম্মদ সিরাজ, অর্শদীপ সিংহদের ছুঁলেন আর্চার। প্রথম ওভারই ছন্দ নষ্ট করে দিল রাজস্থানের।
গত ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় এই ম্যাচে খেলেননি রাজস্থানের অধিনায়ক রিয়ান পরাগ। অধিনায়কত্ব করেন যশস্বী জয়সওয়াল। তাতে খানিকটা সমস্যা হয় তাদের। যশস্বীর অধিনায়কত্বের তেমন অভিজ্ঞতা নেই। ফলে বোলিং ও ফিল্ডিং পরিবর্তনে কিছু ভুল করলেন তিনি।
পাওয়ার প্লে কাজে লাগালেন শুভমন ও সুদর্শন। প্রথম ছয় ওভারে ৮২ রান করলেন তাঁরা। সেই ভিতের উপর বড় রান করল গুজরাত। আরও একটি ম্যাচে তাদের ব্যাটিংয়ের প্রধান দুই স্তম্ভ দুই ওপেনার। দু’জনেই অর্ধশতরান করলেন। ৩৬ বলে ৫৫ রান করে যশ রাজ পুঞ্জার বলে আউট হলেন সুদর্শন।
আরও পড়ুন:
জস বাটলার (১৩) রান না পেলেও ভাল দেখাচ্ছিল ওয়াশিংটন সুন্দরকে। শুভমনের সঙ্গে মিলে দ্রুত রান তুলছিলেন তিনি। একটা সময় দেখে মনে হচ্ছিল, শতরান করবেন গুজরাতের অধিনায়ক। কিন্তু ৪৪ বলে ৮৪ রান করে আউট হন তিনি। মাঝের ওভারে রান তোলার গতি কিছুটা কমলেও তাতে ২২০ পার করতে সমস্যা হয়নি। তার কারণ, শুভমন-সুদর্শনের ওপেনিং জুটি।
শেষ দিকে রাহুল তেওতিয়া কয়েকটি বড় শট খেলেন। তাঁর ও ওয়াশিংটনের ব্যাটে ভর করে ২২৯ রান করে গুজরাত। ওয়াশিংটন ২০ বলে ৩৭ ও তেওতিয়া ৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।