Advertisement
E-Paper

‘নার্সের পেশাকে যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়’, সেবিকাদের পোশাকেও বদল আনতে চান কঙ্গনা রনৌত

কঙ্গনার মতে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু নার্সদের এখনও একটি নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্মই পরতে হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ১৯:৫৮
নার্সদের পোশাকে কোন বদল আনতে চান কঙ্গনা?

নার্সদের পোশাকে কোন বদল আনতে চান কঙ্গনা? ছবি: সংগৃহীত।

‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ ছবিতে এক নার্সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রনৌত। ২৬/১১-র প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবির বিষয় এবং নার্সদের পেশা নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী। নার্সদের পোশাকে বদল আনার কথাও বলেন তিনি।

কঙ্গনার মতে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু নার্সদের এখনও একটি নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্মই পরতে হয়। কঙ্গনা বলেন, “আমার মনে হয় ব্রিটিশ আমলের নার্সদের ‘ড্রেস কোড’ এখনও চালু রয়েছে। আমাদের চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থেকে নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারেন। কিন্তু নার্সদের ক্ষেত্রে গরম হোক বা শীত, এখনও এক ধরনের বিদেশি ধাঁচের ইউনিফর্ম দেখা যায়। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তবে এই ছবিতে আমরা সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছি। শরীরের গঠন বা আকার গুরুত্বপূর্ণ নয়, আপনার ইউনিফর্মই আপনার কর্তব্যের প্রতীক।”

কঙ্গনা নার্সদের পোশাক সম্পর্কে আরও বলেন, “আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়েছে এই পোশাক খুবই ব্রিটিশ ধাঁচের। ইউনিফর্মের সঙ্গে পিন, ক্যাপ বা বেল্ট ব্যবহার করার বিষয়টি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব থেকে এসেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেমন ছিল, এখনও অনেকটাই তেমনই রয়েছে।” তবে ভবিষ্যতে ইউনিফর্মে পরিবর্তন এলে তা নার্সদের প্রয়োজন ও মতামতের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। এ বিষয়ে কঙ্গনা বলেন, “ভবিষ্যতে যদি নার্সদের নিজস্ব পছন্দ ও প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই ইউনিফর্মে ভারতীয় ছোঁয়া আনা যায়, তা খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।

পোশাকের পাশাপাশি আরও একটি বিষয় নিয়েও কথা বলেন কঙ্গনা। তাঁর মতে, নার্সদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই পেশাকে প্রায়ই ‘যৌনতার’ সঙ্গে যুক্ত করে নানা রকমের মন্তব্য করা হয়। অভিনেত্রী বলেন, “মানুষের যে ধারণা ও মনোভাব রয়েছে, সেখানে পরিবর্তন আসা উচিত। আমার মনে হয় নার্সিং এমন একটি পেশা, যেটিকে সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের কথা ভাবলেই আমরা স্বাভাবিক ভাবেই চিকিৎসকদের কথা ভাবি। তাঁদের অবদান অপরিসীম ঠিকই। কিন্তু যে লক্ষ লক্ষ কর্মী প্রতিদিন এই পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখেন, তাঁদের কথাও আমাদের ভাবা উচিত।”

Kangana Ranaut
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy