পাটুলি থানায় হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী রুপালি ভট্টাচার্য। এফআইআর-ও দায়ের করেছিলেন তিনি। ঘটনার কয়েক দিনের মাথায় অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে অভিনেত্রী জানালেন, পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে অপরাধী।
রুপালি বলেন, “খুবই স্বস্তি পেয়েছি। অপরাধীকে শনাক্তকরণের জন্য থানায় যেতে হয়েছিল। আমি সেই ব্যক্তির সামনে যাইনি। কিন্তু যেটুকু জানা ছিল, বলেছি। পুলিশও তাদের সূত্র মারফত জানতে পেরেছে, ওই ব্যক্তি আগেও অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এমনটা প্রথম নয়। পুলিশ তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করেছে তাতেই শান্তি পেয়েছি।”
আরও পড়ুন:
ঠিক কী ঘটেছিল অভিনেত্রীর সঙ্গে? আনন্দবাজার ডট কম-কে রুপালি বলেছিলেন, “গত চার বছর ধরে আমি পাটুলির বাসিন্দা। বরাবরই স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন। তাই নিয়মিত হাঁটি। প্রতিদিনের মতো গত বুধবারেও হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। আসলে সরকার বদলানোর পরে পাটুলিতে জনসমাগম কমতে শুরু করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসগুলো বন্ধ। সেই জায়গাগুলো সব অন্ধকার এখন। নতুন সরকার আসার পরে তো এখনও সবটা থিতু হয়নি। অপরাধীরা সব সময়ে এগুলোরই সুযোগ নেয়।”
আরও পড়ুন:
পাড়ার মধ্যে হাঁটতে বেরিয়ে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে, ভাবেননি রুপালি। তিনি আরও বলেছিলেন, “হেঁটে আসার সময় অনুভব করলাম গা ঘেঁষে একটি ছেলে সাইকেল চালিয়ে চলে গেল। প্রথমে খুব একটা গুরুত্ব দিইনি। আর একটু এগিয়ে গেলাম। বুঝলাম, সেই ছেলেটিই আবার সাইকেল ঘুরিয়ে আসছে। তার পর আচমকাই বুকের ডান দিকটা খামচে ধরে! রিফ্লেক্সে আমি ডান হাত দিয়েই ধাক্কা দিই ছেলেটিকে। সেই ধাক্কায় ও পড়ে যায়নি। মাঝখান থেকে আমারই হাতটা কেটে যায় অনেকটা। এতটাই তুখোড় যে, সেই অবস্থায় না দাঁড়িয়ে ঝড়ের গতিতে বেরিয়ে গেল। আমি সেই মুহূর্তে চিৎকার শুরু করি। সঙ্গে সঙ্গে আমি পাটুলি থানায় এফআইআর করি। পুলিশের তরফে সহযোগিতাও পেয়েছি। অভিযোগ শুনে তাঁরা আমার সঙ্গে ঘটনাস্থলেও এসেছিলেন।” আগামী দিনে নিরাপদে ওই এলাকায় বেরোতে পারবেন বলে আশা অভিনেত্রীর।