×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২১ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

তুষাগ্নির চরিত্র আমায় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করাল: অমৃতা

স্রবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়
০৬ জুন ২০১৯ ১৩:৩৮
অমৃতা চট্টোপাধ্যায়। ছবি: ফেসবুক থেকে গৃহীত।

অমৃতা চট্টোপাধ্যায়। ছবি: ফেসবুক থেকে গৃহীত।

'তুষাগ্নি' রিলেশনশিপ থ্রিলার। আমি অভিনেত্রী, আমার স্বামী উচ্চপদস্থ কর্মী। আসলে রাণাদার সঙ্গে পরিচয় ছিল। যখন ওরা ছবিটা নিয়ে ভাবছিলেন আমাকে গল্পটা শুনতে বলা হয়। সাধারণত পরিচালকেরাই আমাকে কাস্ট করার কথা বলেন। এ ক্ষেত্রে প্রীতিময়দাও মানে এ ছবির প্রযোজক আমার কথা বলেছিলেন। এটা সচরাচর হয় না।
অনেক থ্রিলার ছবি হচ্ছে। তুষাগ্নি আলাদা কোথায়?
মানুষ কোনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে বুঝতে পারে না কতটা নির্ভর করতে পারে। কিন্তু অনেক সময় এক্সটারনাল ফ্যাক্টরের জন্য সম্পর্ক বদলে যাচ্ছে। এই ছবির এটাই মজা, কেমন করে সম্পর্কগুলো বদলে বদলে যাচ্ছে। তার পরে সেটা কোথায় দাঁড়ায় সেটাই দেখার।
ছবিটা মুক্তি পেতে প্রায় আড়াই বছর লাগল...
কাজটা সবাই এত ভাল করেছিল। সবাই খোঁজ করতাম কবে 'তুষাগ্নি' হলে আসবে। অবশেষে রিলিজ হচ্ছে এটাই আনন্দের।

আরও পড়ুন, ছবি থেকে বাদ পড়েছেন ‘অপেশাদার’ মৌনী, জবাবে কী বললেন নায়িকা?

এই ছবির মাধ্যমে কী অর্জুন-অমৃতা কেমিস্ট্রিটা প্রতিষ্ঠিত হবে?
'জানলা দিয়ে বউ পালানো'-র সময় থেকেই অর্জুনের সঙ্গে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সেটা এই ছবির ক্ষেত্রেই কাজ করেছে বলে আমার মনে হয়।
লোকে বলছে এখন আপনার সময় ভাল। 'তুষাগ্নি', 'মানভঞ্জন', 'দেবতার গ্রাস'...
টাচ উড। তবে শৈবাল মিত্র-র 'দেবতার গ্রাস' এ নাসিরুদ্দিনের সঙ্গে অভিনয় এটা একটা চিরকালীন অভিজ্ঞতা। যাঁর ছবি দেখে, অভিনয় দেখে বড় হলাম, তাঁর সঙ্গে অভিনয় করতে পারা। তিনি আমাকে ফ্লোরে 'কিউ' দিচ্ছেন! ভাবাই যায় না। এখানে বেশির ভাগ অভিনেতা আমায় নতুন ভেবে শুট করে চলে যায়। কোমর বেঁকিয়ে। কিউ না দিয়ে টাটা-টাআআআ বলে চলে গেছেন। আর নাসিরজি একটা দৃশ্যে বীরভূমের গনগনে গরমে কোমরে বেল্ট বেঁধে বসে আছেন। আমাকে কিউ দেওয়ার জন্য...এখনো ভাবলে চমকে চমকে উঠছি।

Advertisement

শোনা যাচ্ছে 'তুষাগ্নি'-তে ও জঙ্গিনেতা, অপহরণের জায়গাটায় চমক আছে ...
খুব চ্যালেঞ্জিং চরিত্র। দেবেশ রায়চৌধুরী দুর্ধর্ষ কাজ করেছেন। আসলে এ ছবির ক্রমে ক্রমে তৈরি হওয়া ঘটনা, এক জন জঙ্গি নেতার আদর্শকেও ভিন্ন ভাবে তুলে ধরেছে।
পন্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার এ ছবির সঙ্গীতের দায়িত্বে?
হ্যাঁ। তেজেনদা অসাধারণ কাজ করেছেন। এ রকম রহস্য আর উত্তেজনা ঘেরা ছবিতে সংলাপ নয়। অনেক সময় সঙ্গীত কথা বলে উঠেছে। আর ছবির মারাত্মক টুইস্টের জায়গায় একটা অদ্ভুত মিউজিক আছে।
এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নাসিরুদ্দিনের সঙ্গে অভিনয়। শোনা যাচ্ছে আপনি অহঙ্কারী হয়ে উঠছেন!
একেবারেই না। বরং নাসিরজিকে দেখে আরও হাম্বল হতে শিখলাম।

(কোন সিনেমা বক্স অফিস মাত করল, কোন ছবি মুখ থুবড়ে পড়ল - বক্স অফিসের সব খবর জানতে পড়ুন আমাদের বিনোদন বিভাগ।)

Advertisement