শুটিংয়ের মাঝেই তড়িঘ়ড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রণবীর সিংহকে। একটি দৃশ্যে যন্ত্রণা উপলব্ধি করতে নিজেকে প্রবল কষ্ট দিয়েছিলেন তিনি। ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর সাফল্যের মধ্যেই পুরনো এক ঘটনার কথা জানালেন অনুরাগ কাশ্যপ।
চরিত্র যেমনই হোক, রণবীর নিজেকে সেখানে একশো শতাংশ নিমজ্জিত করেন। অভিনয় নিয়ে তাঁর প্রবল উন্মাদনা। জানান অনুরাগ। বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে পরিচালিত ছবি ‘লুটেরা’র সেটের স্মৃতি মনে করেন অভিনেতা। সেই ছবির সংলাপ লিখেছিলেন অনুরাগ। রণবীরের তৃতীয় মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি এটি। সোনাক্ষী সিন্হার বিপরীতে এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন রণবীর। ছবিটি বক্সঅফিসে সেই ভাবে সা়ড়া না ফেললেও রণবীরের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিল।
সেই ছবির একটি দৃশ্যে রণবীরের গুলি লাগে। কারও গুলি লাগলে ঠিক কী অনুভূতি হয়, তা বোঝার জন্য অভিনেতা নাকি পেটের মধ্যে দীর্ঘ ক্ষণ ক্লিপ বেঁধে রেখেছিলেন। অবস্থা এমন হয়েছিল যে, রণবীরকে শুটিং সেট থেকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল। অনুরাগ বলেন, “‘ধুরন্ধর’ নিয়ে নানা গল্প শুনছি আমরা। কী ভাবে রণবীর ও অর্জুন রামপাল পরস্পরকে আঘাত করেছেন শুটিং করতে গিয়ে, সে সব শুনছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে নিজেদের নিয়ে গিয়ে অভিনয় করেছেন। তবে, রণবীর ‘লুটেরা’ ছবির ক্লাইম্যাক্সের জন্য কাউকে না বলে ক্লিপ জোগাড় করে সেটা পেটে আটকে রেখেছিল।”
নিজের যন্ত্রণার কথা কাউকে বুঝতে দেননি রণবীর। কিন্তু যন্ত্রণা এমনই প্রবল ছিল, তিনি নড়াচড়া পর্যন্ত করতে পারছিলেন না। তখন সকলে বুঝতে পারেন যে, রণবীর কী কাণ্ড ঘটিয়েছেন! জানান অনুরাগ।
উল্লেখ্য, ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে জসকিরত ও হামজ়া— দুই চরিত্রেই অভিনয় করে প্রশংসা পাচ্ছেন রণবীর। এর আগে ‘পদ্মাবত’, ‘বাজিরাও মস্তানি’, ‘গলী বয়’, ‘৮৩’ ছবির জন্যও প্রশংসিত হয়েছিলেন অভিনেতা।