অর্থ ও খ্যাতির জন্যই নাকি সলমন খানের বোন অর্পিতা খানকে বিয়ে করেছেন আয়ুষ শর্মা। প্রথম থেকেই এমন সমালোচনার মুখে আয়ুষ-অর্পিতার প্রেম। এও শোনা গিয়েছে, বলিউডে পাকাপাকি ভাবে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্যেই নাকি প্রথম সারির অভিনেতার বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন আয়ুষ, এমন নানা কথা শুনতে হয় তাঁকে। একটা সময় ছিল যখন আয়ুষকে হিমাচলপ্রদেশে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন তাঁর বাবা। সরসারি বলেন, ‘‘তুমি অমিতাভ বচ্চন কিংবা ধর্মেন্দ্রের ধারেকাছেও নেই। তাই তোমাকে ৫০ টাকা খরচ করে আমিই দেখতে চাইব না।’’
হিমাচলপ্রদেশের প্রতিপত্তিশালী পরিবারের ছেলে আয়ুষ। তাঁর দাদু সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন একটা সময়। অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে হিমাচল ছেড়ে মুম্বই আসেন আয়ুষ। ৩০০টি অডিশন দিয়েছিলেন। তার মধ্যে মেরেকেটে দু’টি অডিশনে উতরেছিলেন। আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন এক সময়। মনে করেছিলেন, তাঁর দ্বারা আর যা-ই হোক, অভিনয় করা সম্ভব নয়। কিন্তু সলমন খান সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, অভিনয়ের প্রশিক্ষণ দেবেন ভগ্নীপতিকে। তার পর বেশ কিছু ছবিও আয়ুষকে দিয়ে করান। যদিও সে সব ছবি বক্সঅফিসে একেবারেই সাড়া ফেলতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আয়ুষ জানান, তাঁর বাবা তাঁকে মুম্বইয়ে পাঠিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার জন্য। বাড়ির সকলে ভেবেছিলেন হিমাচল থেকে মুম্বই গিয়ে ভাল কিছু করবে। ছেলের কথা ভেবেই মুম্বইয়ে তাঁকে বাড়ি, গাড়ি সবই কিনে দেন। কিন্তু পড়াশোনায় মন বসত না আয়ুষের। কলেজে সারা বছরে ছিল ৯ শতাংশ হাজিরা। তাতেই ডেকে পাঠানো হয় আয়ুষের মা-বাবাকে। আয়ুষের কথায়, ‘‘সেই সময় আমি বাবা-মাকে নিজের স্বপ্নের কথা বলি। তখন বাবা বলে, তোমাকে টিকিট কেটে কে দেখবে? আমি তো ৫০ টাকাও খরচ করব না। তোমার ব্যক্তিত্ব নেই, না রয়েছে রূপ। পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেও কেউ দেখবে না।’’ বাবার কথায় বেশ আঘাত পেয়েছিলেন আয়ুষ। কিন্তু বাবার সেই কথাগুলো তাঁকে অনুপ্রেরণাও জুগিয়েছিল।