Advertisement
E-Paper

নারীদের মতো প্রকৃতিকেও পণ্য বানিয়েছে পুরুষতন্ত্র! বিতর্কে পড়েও নিজের কোন যুক্তিতে অনড় দিয়া?

দিয়া দাবি করেন যে, পুরুষেরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তাঁরাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন। এর পর তিনি স্পষ্ট করেন যে, তাঁর মন্তব্য কোনও নির্দিষ্ট পুরুষকে দায়ী করার জন্য নয়। বরং পিতৃতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামো কী ভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা বোঝানোর জন্যই তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ১০:০০
পুরুষতন্ত্র নিয়ে নিজের যুক্তিতে অনড় দিয়া!

পুরুষতন্ত্র নিয়ে নিজের যুক্তিতে অনড় দিয়া! ছবি: সংগৃহীত।

পুরুষতন্ত্রের জন্যই পরিবেশের অবনতি হচ্ছে। পরিবেশ খারাপ হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব। এক আলোচনাসভায় গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন দিয়া মির্জ়া। তার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। কেউ কেউ সমর্থন করেছেন তাঁকে। কেউ আবার নিন্দা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন দিয়া।

দিয়া দাবি করেন যে, পুরুষরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তাঁরাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন। এর পর তিনি স্পষ্ট করেন যে, তাঁর মন্তব্য কোনও নির্দিষ্ট পুরুষকে দায়ী করার জন্য নয়। বরং পিতৃতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামো কী ভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা বোঝানোর জন্যই তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

সমালোচনার জবাবে নিজের ইনস্টাগ্রামে দিয়া লেখেন, “যেহেতু অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন, তাই বিষয়টি যতটা সহজ ভাবে বলা যায়, ততটাই বলছি। আমি আমার বক্তব্যে অনড়। পিতৃতন্ত্রই জলবায়ু সঙ্কটের কারণ।”

তিনি আরও লেখেন, “শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কিছু মানুষের হাতেই থেকেছে ক্ষমতা। যত্ন নেওয়ার বদলে তারা কেবল সম্পদ শোষণ করেছে। এমনকি, প্রকৃতিকে রক্ষা করার পরিবর্তে ব্যবহারের বস্তু হিসাবেই শুধু দেখেছে।”

দিয়া আরও বলেন, “পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীদের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হয়, অনেকটা সে ভাবেই বন, জঙ্গল, নদী, সমুদ্র এবং পরিবেশের অন্যান্য অংশকেও পণ্য হিসাবে দেখা হয়েছে। এই চিন্তাভাবনার ফলাফল এখন আর উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।” নিজের মন্তব্যের যুক্তিতে অনড় থেকে দিয়া তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, “প্রকৃতি রক্ষা এবং নারীর অধিকারের পক্ষে যারা কথা বলেন, তাঁদের কণ্ঠস্বরকে দুর্বল করার কাজও এই পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থারই অংশ।”

কেন তিনি পুরুষতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন, তা আরও বিশদে জানান দিয়া। তাঁর কথায়, “বিশেষ করে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর নারীরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে আগে অনুভব করেন। জলসঙ্কট, খাদ্যের অভাব, ঘরছাড়া হওয়া এবং জীবিকার ক্ষতির মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের। কিন্তু পরিবেশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গাগুলিতে তাঁদের উপস্থিতি এখনও খুব কম।”

অভিনেত্রী আরও বলেন, “স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ তৈরি করতে হলে এই আধিপত্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে সমতা, সহানুভূতি এবং সমস্ত জীবনের প্রতি সম্মান করতে হবে।”

Dia Mirza
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy