বিমানবন্দরে গেলেই নাকি সন্দেহের চোখে দেখা হত ইমরান হাশমীকে। অভিনেতা জানান, তাঁকে নাকি প্রায়ই নানা ধরনের নিরাপত্তাজনিত পরীক্ষানিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হত। ইমরানের সন্দেহ, তাঁকে নাকি অন্য কারও সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হত। অভিনেতাকে শীঘ্রই দেখা যাবে ‘তস্করী: দ্য স্মাগলার্স ওয়েব’ ছবিতে। সেখানেই অভিনেতাকে দেখা যাবে শুল্ক দফতরের আধিকারিকের চরিত্রে। কিন্তু, বাস্তবে কেন অভিনেতাকে একাধিক বার আটকে দেওয়া হয় অভিবাসন বিভাগে?
সম্প্রতি এই ছবির একটি অনুষ্ঠানে ইমরানকে জিজ্ঞেস করা হয় বিমানবন্দরে কখনও শুল্ক বিভাগের কোনও কর্মী তাঁকে থামিয়েছেন কি না। উত্তরে ইমরান বলেন, ‘‘না, আমার মনে হয় ওঁরা আমার সঙ্গে খুব মিষ্টি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এই যে একটা প্রচণ্ড ভয়ের অনুভূতি থাকে সকলের মধ্যে, সেটা যুক্তিসঙ্গত নয়। বিষয়টা অনেকটা গাড়ি চালানো শেখার পরেও রাস্তায় আরটিও আধিকারিককে দেখে হঠাৎ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ার মতো। যখন আমি একা ভ্রমণ করি, ব্যাগে শুধু জামাকাপড় থাকলেও ‘গ্রিন চ্যানেল’ (বিমানবন্দরে শুল্কের ছাড় যাচাইয়ের ব্যবস্থা) দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মনে হয় যেন ব্যাগে ১০০ কেজি অবৈধ জিনিস নিয়ে যাচ্ছি। যেন কোনও মাদক পাচারকারী।’’
তবে অভিনেতা এ-ও জানান, তাঁকে আগে অভিবাসনে থামানো হত। তার কারণ সম্ভবত তাঁর চেহারা ও কানের দুল। তখন তিনি একাই যাতায়াত করতেন। যদিও অভিনেতা বলেন, “কিন্তু, এখন আমার মিষ্টি পরিবারের সঙ্গে আমাকে দেখে আর ওঁরা সন্দেহ করেন না।”