‘হরি ঘোষের গোয়াল’- কথাটা শুনলেই সবার প্রথমে কি মনে পড়ে আপনার? এমন একটা জায়গা যেখানে নেই কোনও নিয়মের অনুশাসন, অনেকে মিলে গাদাগাদি করে একসঙ্গে থাকা ইত্যাদি। হরি ঘোষ নামে কি সত্যি কেউ ছিলেন? নাকি প্রবাদেই তাঁর বাস! সেই প্রবাদের হরি ঘোষ হঠাৎই যদি জীবন্ত হয়ে  তাঁর গোয়াল সমেত বাস্তব দুনিয়ায় চলে আসেন তবে কেমনটা হবে?

হরি ঘোষ আসছেন, আসছে তাঁর গোয়ালও। গোয়াল না বলে ছাত্রাবাস বলা ভাল।  নাম, শ্রী চৈতন্য আদর্শ ছাত্রাবাস। হস্টেলের প্রধান হরিমোহন ঘোষ যিনি হরি ঘোষ নামেই পরিচিত। হরির পূর্বপুরুষেরা এক সময় গোয়ালা ছিলেন। এখন যদিও গরুও নেই, নেই গোয়ালও। তার বদলে সেখানে গজিয়েছে এক হস্টেল। সেই হস্টেল আবার কড়া অনুশাসনে ভরা। নিরামিষ আহার, মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, সিগারেট-বিড়ি একেবারে নৈব নৈব চ। সেই হস্টেলেই যদি একজন নারীর প্রবেশ ঘটে তখন কি হয়?

উত্তরটা নিয়েই খুব শীঘ্রই আসতে চলেছে পরিচালক শুভব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি হরি ঘোষের গোয়াল। অভিনয়ে এক গুচ্ছ নবীন অভিনেতা-অভিনেত্রী।  প্রধান দুই চরিত্রে রয়েছেন নবাগত পার্থ এবং সৃজা। প্রযোজক এবং সৃজনশীল পরিচালকের ভূমিকায় রয়েছেন পীযূষ সাহা। নতুন প্রতিভাকে বরাবরই সুযোগ দিয়ে এসেছেন পীযূষ। ‘রাজু অঙ্কেল’ , ‘কেল্লাফতে’ ইত্যাদি ছবির প্রযোজনা এবং পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আরও একবার তিনি নাবিকের ভূমিকায়, হাল ধরতে আসছেন, হরি ঘোষের গোয়ালের। চিত্রনাট্য এবং সংলাপ লিখেছেন অন্বয় মুখোপাধ্যায়। সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ইন্দ্র। টিম ‘হরি ঘোষের গোয়াল’ কথায়, ‘রহস্য, রোমাঞ্চ, হাস্যরসে ভরপুর ওই ছবি বাঙালি দর্শককে হলমুখী করে তুলবেই। ফিরিয়ে দেবে ফেলে আসা বাংলা চলচিত্রের স্বর্ণযুগের স্বাদ। ”

দেখে নিন সেই ছবির ট্রেলার