Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৫ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

বিক্রমের আবেদনের শুনানি শেষ হাইকোর্টে

নিজস্ব সংবাদদাতা
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:১৯
 বিক্রম-সোনিকা

বিক্রম-সোনিকা

সব অভিযোগ থেকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক। মডেল তথা অভিনেত্রী সোনিকা সিংহ চৌহানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে ওই আবেদন জানিয়েছিলেন অভিযুক্ত অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সেই আবেদনের শুনানি শেষ হল সোমবার।

সরকারি কৌঁসুলি শাশ্বতগোপাল মুখোপাধ্যায় জানান, সোনিকার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বেপরোয়া ভাবে ও নেশা করে গাড়ি চালানো এবং অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে বিক্রমের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আলিপুর জেলা আদালতে মামলা করেছিলেন বিক্রম। নিম্ন আদালত আর্জি খারিজ করায় মাসখানেক আগে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সোমবার বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদের এজলাসে সেই আপিল মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। বিচারপতি জানিয়েছেন, সব পক্ষের শুনানি শেষ। তিনি পরে রায় দেবেন। নিম্ন আদালতে অবশ্য এখনও মূল মামলাটি চলছে।

২০১৭ সালের ২৯ এপ্রিল ভোরে টালিগঞ্জ থানা এলাকার লেক মলের সামনে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় সোনিকার। গাড়ি চালাচ্ছিলেন বিক্রম। তিনিও জখম হন দুর্ঘটনায়। পুলিশ প্রথমে বিক্রমের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। যার ফলে সুস্থ হয়ে আদালত থেকে জামিন পান ওই অভিনেতা। কিন্তু তদন্তে পুলিশ পরে জানতে পারে, অতিরিক্ত নেশা করার ফলে বেপরোয়া ভাবে এবং দ্রুত গতিতে ঘটনার দিন গাড়ি চালাচ্ছিলেন বিক্রম। আদালতে পেশ করা চার্জশিটে পুলিশের দাবি ছিল, লেক মলের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে যাওয়ার সময়ে সেটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১০৫ কিলোমিটার। এর পরেই মামলায় অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর ধারা যুক্ত করেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

সোনিকার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ৮১ দিন পরে বিক্রমের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানো, বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালানো-সহ চার ধরনের অপরাধের অভিযোগে আদালতে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ।

এর পরেই বিক্রমের তরফে ওই অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মামলা করা হয় আলিপুর জেলা আদালতে। বিক্রমের আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা সোমবার জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নিম্ন আদালতে মূল মামলার শুনানি স্থির আছে। আপাতত সব তাই নির্ভর করছে হাইকোর্টের রায়ের উপরেই।

আরও পড়ুন

Advertisement