ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পরে এই মুহূর্তে দেওল পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নানা জল্পনা চারদিকে। অভিনেতার মৃত্যুর পর থেকেই নাকি দুই পরিবারের সংঘাত স্পষ্ট হয়েছে। যদিও হেমা মালিনী কিংবা ধর্মেন্দ্রের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর পরিবারের তরফ থেকে কখনওই কোনও মন্তব্য করা হয়নি বিষয়টি নিয়ে। অভিনেতার দুই পক্ষে পরিবারের ছয় সন্তান— সানি দেওল, ববি দেওল ও তাঁদের দুই বোন। অন্য দিকে রয়েছেন হেমা মালিনীর দুই মেয়ে ঈশা দেওল ও অহনা দেওল। ভাইবোন হলেও গত চার দশক ধরে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রেখেছেন সানি-ববি এবং ঈশা-অহনা। দীর্ঘ এই দূরত্বই নাকি ঘুচেছিল সানি ‘গদর ২’ ছবির কারণে। যদিও এখন নাকি ফের ছাড়া ছাড়া দুই পরিবার। ধর্মেন্দ্রের দুই পুত্র সানি ও ববিকে নিয়ে কী ভাবেন, জানিয়েছেন হেমা।
অতীতে সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা জানিয়েছিলেন, সানি ও ববি দু’জনেই খুব ভাল ছেলে। তবে সানির মধ্যে ধর্মেন্দ্রের ছায়া দেখতে পান । বাইরে থেকে যতটা দূরত্ব মনে হয়, অন্দরের সমীকরণ তেমনটা নয়। হেমার মেয়ে ঈশা বড় দাদার প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘আমাদের অনেক উপহার দেয়। বিদেশে ঘুরতে গেলে দাদার সঙ্গে সময় কাটাই। আমার বাহারি সব জুতোর কেনার আবদার সানি দাদা মেটায়।’’
হেমা সেই সময়ে ওই সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘‘ সানি আসলে ওর বাবার মতো। একেবারে ধরমজির ছায়া। হাঁটাচলা, কথাবার্তা, ব্যবহার সবই। ও সকলকে আগলে রাখে। খুব ভাল ছেলে।’’ সানির ছবির সাফল্যের পর তাঁকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন হেমা।
তবে ববিকে নিয়ে তেমন কিছু কখনওই বলতে চাননি হেমা। একটা অদৃশ্য দূরত্ব রয়েছে তাঁদের দু’জনের মধ্যে। যদিও হেমা সেই সময়ে বলেছিলেন, ববি ছোট, তাই তার ধ্যানধারণাগুলো অন্য।