Advertisement
E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

বয়স ৪০ পেরিয়েছে? শরীরের ঠিক কতটা প্রোটিনের প্রয়োজন জানা আছে কি?

৪০ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রায়শই তাঁরা তাঁদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। এর ফলে তাঁদের পেশি, বিপাক ক্রিয়া এবং শারীরিক কর্মক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই প্রত্যেক দিন শরীরে কতটা প্রোটিন যাচ্ছে, তার দিকে নজর রাখা ভীষণ জরুরি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ১১:০৭
৪০ এর পর কাদের কতটা প্রোটিন খেতে হবে?

৪০ এর পর কাদের কতটা প্রোটিন খেতে হবে? ছবি: সংগৃহীত।

প্রোটিন শরীরের একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। শরীরের যত্ন নিতে, রক্তে শর্করার ভারসাম্য ঠিক রাখতে, ইস্ট্রোজেন হরমোন এবং সুস্থ থাইরয়েডের জন্য তো বটেই, সর্বোপরি শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের প্রয়োজন। অথচ, ৪০ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, প্রায়শই তাঁরা তাঁদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। এর ফলে তাঁদের পেশি, বিপাক ক্রিয়া এবং শারীরিক কর্মক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মূল কারণ হল, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রকৃত প্রোটিনের চাহিদা কতটুকু, সে সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। প্রত্যেক দিন শরীরে কতটা প্রোটিন যাচ্ছে, তার দিকে নজর রাখতে হবে।

চল্লিশের পর প্রোটিন থেকে আসা অ্যানাবলিক সঙ্কেতের প্রতি পেশি প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। একে ‘অ্যানাবলিক রেজ়িস্ট্যান্স’ বলা হয়। এর অর্থ হল, পঁচিশ বছর বয়সে শরীর যে ভাবে প্রোটিনের শোষণ করে পেশি গঠন করে ফেলতে পারত, সেই একই পরিমাণ পেশি গঠনের জন্য চল্লিশের পর শরীরের আরও বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি দিন প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৮ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ৪০ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে প্রতি দিন তাঁদের শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ১.৬ থেকে ২.২ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। যাঁরা অতিরিক্ত শরীরচর্চা করেন তাঁদের শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ২.২ গ্রামের কাছাকাছি প্রোটিন গ্রহণ না করলে শারীরিক সমস্যা বাড়বে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি খাবারের সঙ্গে যেন ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম প্রোটিন শরীর‌ে পৌঁছোয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

৪০-এর পর শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে কী কী সমস্যা হতে পারে?

১) শরীরে প্রোটিনের অভাব ঘটলেই ক্লান্তি ঘিরে ধরে। পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে, পরিমাণ মতো খেয়েও ক্লান্ত হয়ে পড়া স্বাভাবিক বিষয় নয়। সে ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া যেতে পারে প্রোটিনের অভাবেই হচ্ছে এমন। কোনও কাজে উৎসাহ পাওয়া যায় না, এমন ক্লান্তির নেপথ্যে থাকতে পারে প্রোটিনের অভাব।

২) প্রোটিনের একটা বড় গুণ হল দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভর্তি রাখা। কিন্তু পর্যাপ্ত প্রোটিন শরীরে না গেলে ঘন ঘন খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। বারে বারে খিদে পেলে বুঝতে হবে, শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাব রয়েছে।

৩) ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিনের অভাব রক্তে শর্করার মাত্রায় স্ফীতি ঘটাতে পারে। ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য ডাল, রাজমা, মাছ, ডিম, বাদাম ইত্যাদি প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

৪) শুধু শরীর সুস্থ রাখতেই নয়, সৌন্দর্য ধরে রাখতেও প্রোটিন প্রয়োজন। পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাবে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। এমনকি, চুল পড়ার সমস্যার নেপথ্যেও থাকতে পারে প্রোটিনের অভাব।

৫) প্রোটিন ত্বকের যে কোনও ক্ষতস্থান দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। তবে অনেক দিন ধরে কোনও ক্ষত যদি না শুকোয়, সে ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে, শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব রয়েছে।

Muscle Gain
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy