পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে নিষিদ্ধ হয়েছে আদিত্য ধরের ছবি ‘ধুরন্ধর’। পাকিস্তানকে নেতিবাচক ভঙ্গিতে দেখানোর অভিযোগে ছবিটি দেখানো হচ্ছে না আরব আমিরশাহী, কুয়েত, কাতার, ওমান ও সৌদি আরবে। কিন্তু কেন এই নিষেধাজ্ঞা? প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বারস্থ হলেন ইমপা-র (দ্য ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার প্রোডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন) প্রযোজকেরা।
পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে যাতে ‘ধুরন্ধর’ ছবির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়, মোদীর কাছে সেই আর্জি জানালেন প্রযোজকেরা। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিকে ‘একতরফা ও অপ্রয়োজনীয়’ বলে দাবি করেছেন তাঁরা। সৃজনশীল স্বাধীনতার উপরে এটি এক ধরনের ‘বাধা’ বলেও দাবি করেছেন ওই প্রযোজকেরা। চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, “পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে ‘ধুরন্ধর’-এর উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অযাচিত ও একতরফা বিষয়ে আপনাকে যথাযথ পদক্ষেপ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
আরও পড়ুন:
ছবিটি সিবিএফসি (সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন) তথা সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং বিপুল সাড়া ফেলেছে। তাই পশ্চিম এশিয়ার মানুষকেও এই ছবি দেখা থেকে বঞ্চিত রাখতে চান না বলেও তাঁরা জানিয়েছেন।
এই দেশগুলির সঙ্গে সাধারণত ভারতের সম্পর্ক ভাল এবং বিভিন্ন বিষয়ে আদানপ্রদান চলতে থাকে। তাই ইমপা-র প্রযোজকদের অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে তৎপর হয়ে কোনও পদক্ষেপ করুন। প্রযোজকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা জোড়হাতে এই অনুরোধ করছেন।
গত ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এই ছবি। পাকিস্তানের লিয়ারি শহরে গ্যাংস্টারদের ঘটনা উঠে এসেছে এই ছবিতে। পাশাপাশি, ২৬/১১ মুম্বই বিস্ফোরণের ঘটনাও দেখানো হয়েছে এই ছবিতে। অভিনয় করেছেন রণবীর সিংহ, অক্ষয় খন্না, অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন, সারা অর্জুন।