‘বাহুবলী’ সিরিজের পর ‘আরআরআর’। ইদানীং তাঁর ছবি মানেই বক্স অফিসে তোলপাড়! দক্ষিণী ছবি হয়েও সারা ভারতে সাড়া ফেলে দিচ্ছে পরিচালক এস এস রাজামৌলীর ছবি। অথচ সেই ছবিই নাকি ‘অপয়া’। রাজামৌলীর ছবির অভিনেতাদের ঠিক পরের ছবি নাকি খারাপ হবেই হবে! অন্যত্র নয়, এমন ধারণা ক্রমে জাঁকিয়ে বসছে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির অন্দরেই।
রাজামৌলীর ছবিতে অভিনয় করেছেন। সে ছবি ব্যাপক সাফল্যের মুখ দেখেছে। এ দিকে, একই অভিনেতার পরের ছবিই ডাহা ফ্লপ। এমনটা নাকি আগেও দেখেছে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি। সেই তালিকাতেই নবতম সংযোজন প্রভাস এবং রামচরণের মতো জনপ্রিয় তারকাও।
‘বাহুবলী’ সিরিজের হাত ধরে দক্ষিণের গণ্ডি পেরিয়ে আসমুদ্রহিমাচলের পছন্দের অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন প্রভাস। অথচ তাঁরই পরের ছবি ‘সাহো’ তেমন সুবিধা করতে পারেনি বক্স অফিসে। একেই জাঁকজমকে, বাজেটে ‘বাহুবলী’র মতো বিপুলায়তন ছবি নয়, তাতে দুর্দান্ত অ্যাকশনের চমকও নেই। ফলে দর্শকের মন কাড়েনি ‘সাহো’।
‘আরআরআর’-এর আকাশছোঁয়া সাফল্যের পাঁচ সপ্তাহের মধ্যেই মুক্তি পায় রামচরণের পরের ছবি ‘আচার্য’। কিন্তু ‘আরআরআর’-এর মতো ১০০০ কোটির বাণিজ্য দূরে থাক, ১০০ কোটির অঙ্কও পেরোতে পারেনি সে ছবি! এর আগেও রাজামৌলির ‘মগধিরা’ ছবিতে কাজ করেন রামচরণ। তার ঠিক পরের ছবি ‘অরেঞ্জ’ও মুখ থুবড়ে পড়ে বক্স অফিসে!
‘অপয়া’ ছবির এমন ধারার হাত থেকে নাকি নিষ্কৃতি পাননি বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগণও। রাজামৌলীর ‘আরআরআর’-এ একটি ছোট্ট চরিত্রে ছিলেন অভিনেতা। এ দিকে তাঁর পরের হিন্দি ছবি ‘রানওয়ে ৩৪’-ও মোটেই চলেনি।
সব মিলিয়েই ফের গুঞ্জন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে। সবটাই কি কাকতালীয়? নাকি সত্যিই রাজামৌলীর ছবিতে অভিনয় করা মানেই জলে যাওয়া পরের ছবির পরিশ্রম? দক্ষিণী অভিনেতারা এ বার খানিকটা ভাবনাতেই।