নতুন বছরে নতুন জীবনে পা রাখতে চলেছেন মধুমিতা সরকার। এ খবর প্রথম জানিয়েছিল আনন্দবাজার ডট কম। বছরশেষে নায়িকা নিজেই জানালেন, ২৩ জানুয়ারি সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন।
পাত্র দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে মধুমিতার তিন বছরের প্রেম। বারুইপুরে নায়িকার আত্মীয়ের বাড়িতে বসবে বিয়ের আসর। ছোটপর্দা, বড়পর্দার শুটিংয়ের মাঝেই চলছে প্রাক্-বিবাহ পর্বের শুটিং, বিয়ের কেনাকাটা।
অনেকেই মায়ের বিয়ের বেনারসি নিজের বিয়েতে বেছে নেন। মধুমিতাও কি তেমনই কিছু করতে চলেছেন?
অভিনেত্রীর কথায়, “মায়ের শাড়ি অনেক বার পরে ফেলেছি। তাই মায়ের নির্দেশ, নতুন শাড়ি পরতে হবে।” তাঁর ইচ্ছে, বিয়ের দিন লাল বেনারসি, সোনার গয়নায় সাজবেন। বিয়ে হবে পুরোপুরি বাঙালি রীতি মেনে। হলদি, সঙ্গীতের আয়োজন না-ও থাকতে পারে। তবে রিসেপশনে স্বাদবদল ঘটাতে অন্য পোশাক পরতে পারেন তিনি। “লেহঙ্গা বা পা-ছোঁয়া গাউনেও নিজেকে সাজাতে পারি”, বললেন মধুমিতা।
আরও পড়ুন:
বিয়ের কার্ড তৈরি হয়ে গিয়েছে। মেনুও প্রায় ঠিক। কাজের ফাঁকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ার পালা চলছে। বিয়েতে কী কী খাবারের আয়োজন করেছেন অভিনেত্রী? মধুমিতা নিজে যেহেতু বাঙালি খাবার খেতে বেশি ভালবাসেন, তাই চিংড়ি আর পাঁঠার মাংস থাকবেই, জানিয়েছেন নায়িকা। মধুমিতা বলেন, “নলেন গুড় আমার প্রিয়। কিছু একটা পদ তো থাকবেই। দেখা যাক কী থাকে। এখনই সবটা বলতে চাইছি না।”
বিয়ের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বুক ঢিপঢিপ বাড়ছে নায়িকার। সে কথা জানিয়ে বললেন, “আমি আর দেবমাল্য দুই বাড়িতেই অনেক ছোট। বড়রা অনেকটাই বড়। ফলে, অনেক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে আমাদের। তাই একটু তো চিন্তা হচ্ছেই।” বিয়ে উপলক্ষে লম্বা ছুটি নেওয়ার ইচ্ছে তাঁর। হয়তো সেই ফাঁকে মধুচন্দ্রিমা সেরে আসবেন তাঁরা। কোথায় যাবেন ঠিক করেছেন? চাপা হাসি হেসে নায়িকার পাল্টা প্রশ্ন, “এখনই সব বলে দিলে বিয়ে নিয়ে কারও আগ্রহ থাকবে?”