• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মেয়ের শেষকৃত্যে আসেননি মৌসুমি, প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন জামাই ডিকি সিংহ

main
বাঁ দিকে মৌসুমি, মাঝে মেয়ে পায়েল এবং ডানদিকে ডিকি

মেয়ে পায়েলকে হারিয়েছিলেন গত সপ্তাহেই। কিন্তু সেই শোকের রেশ কাটতে না কাটতেই কিংবদন্তী অভিনেত্রী মৌসুমি চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিলেন তাঁরই জামাই ডিকি সিংহ।

‘স্পটবয়’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ডিকি জানান, মৃত্যুর পর পায়েলের মুখও দেখেননি মৌসুমি। পায়েলের শেষকৃত্য অথবা শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও দেখা যায়নি তাঁকে।

কী বললেন ডিকি? কেন এই দূরত্ব? কেনই বা মেয়েকে শেষ বারের মতো দেখলেন না মৌসুমি?গত বছর পায়েলের কাস্টডি নিয়ে পায়েলের শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে আইনি ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন মৌসুমি। বম্বে হাইকোর্টে মৌসুমি অভিযোগ জানিয়েছিলেন, টাইপ ওয়ান ডায়াবিটিসে আক্রান্ত পায়েলকে শ্বশুরবাড়ির তরফে অবহেলা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, পায়েল-ডিকির মেয়ের সঙ্গেও নাকি মৌসুমিকে দেখা করতে দেন না ডিকির বাড়ির লোকেরা।

যদিও কোর্ট থেকে বারেবারেই দুই পরিবারের মধ্যে দূরত্ব মিটিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে হয়েছে ঠিক তার উল্টো। যত দিন গিয়েছে সম্পর্কের অবনতি হয়েই গিয়েছে। কেন মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন না তাঁরা?

আরও পড়ুন-জামিয়া কান্ডের প্রতিবাদ, মেয়েকে জড়িয়ে মহেশ ভট্টকে কদর্য মন্তব্য কঙ্গনার দিদির

ডিকি বলেন, “ওঁদের সঙ্গে আমার কোনও বিরোধ নেই। আমি ইতিমধ্যেই মামলা জিতে গিয়েছি। পায়েল, আমার স্ত্রী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমার পাশে ছিলেন।”

গত দু’বছর ধরে পায়েল ছিলেন শয্যাশায়ী। হারিয়েছিলেন চলৎশক্তি, কাজ করার ক্ষমতা। ডিকির চাঞ্চল্যকর তথ্য, একবার নাকি মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়ের ছোট মেয়ে মেঘা জোর করে পায়েলকে প্রসাদ খাওয়াতে গিয়েছিলেন। সে সময় দম আটকে মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল তাঁর। পায়েলের শেষকৃত্যে উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁর বাবা এবং ছোট বোন। মৌসুমি কেন আসেননি, সে ব্যাপারে ডিকির কোনও ধারণা নেই বলেই জানান তিনি। যদিও নেটিজেনদের একাংশের মতে মা হয়ে মেয়ের মৃত্যু চোখের সামনে দেখতে পারবেন না বলেই হয়তো আসেননি মৌসুমি। 

আরও পড়ুন-চুপ কেন? জামিয়া নিয়ে কড়া প্রশ্নের মুখে শাহরুখ-সলমন-রণবীরেরা

মৌসুমির প্রধান অভিযোগ ছিল, অসুস্থ পায়েলের যে ভাবে খেয়াল রাখা উচিত সে ভাবে রাখছেন না ডিকি। ডিকির জবাব, “গত দু’মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিল পায়েল। মৌসুমি দু’মাসে মাত্র পাঁচ বার পাঁচ মিনিটের জন্য মেয়েকে দেখতে এসেছেন।”

আনন্দবাজার ডিজিটালের পক্ষ থেকে মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। মৌসুমি বলেন, “এই অবস্থায় এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেব না।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন