বিশেষ ধরনের অন্তর্বাস পরতে বলা হয়েছিল নীনা গুপ্তকে। একমাত্র এই অন্তর্বাস পরলেই নাকি ‘যৌবনসম্পন্না’ দেখতে লাগবে তাঁকে, নির্দেশ ছিল পরিচালকের। বিষয়টিতে ক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন নীনা। অবশেষে সেই বিষয়ে মুখ খুললেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।
একসময় বিপুল সাড়া ফেলেছিল ‘চোলী কে পীছে কেয়া হ্যায়’ গানটি। গানের দৃশ্যায়নে নীনাও নজর কেড়েছিলেন। কিন্তু অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের উপর। ঠিক কী ঘটেছিল? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মনের কথা উজাড় করেন নীনা। ‘খলনায়ক’ ছবির উল্লিখিত গানের শুটিং-এর আগে নীনা যাতে ‘প্যাডেড’ অন্তর্বাস পরেন, পোশাকশিল্পীকে সেরকমই নির্দেশ দিয়েছিলেন সুভাষ। উদ্দেশ্য ছিল, নীনাকে যেন পর্দায় দেখতে ‘পরিপূর্ণ’ লাগে। এই মন্তব্য সেই সময়ে মোটেই ভাল ভাবে নেননি নীনা।
আরও পড়ুন:
বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সেই ঘটনা নিয়ে বলেন, “সেই সময়ে খুব রাগ হয়েছিল। মনে হয়েছিল, এমন মন্তব্য খুবই আপত্তিকর।” তবে সময়ের সঙ্গে তিনি নিজেকে বুঝিয়েছিলেন, পরিচালক চরিত্রটিকে নিজের চোখ দিয়ে ওই ভাবে দেখেছিলেন। যদিও নীনার আক্ষেপ, একসময় আর্থিক চাপেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও বহু ছবিতে অভিনয় করতে হয়েছে তাঁকে। এমনকি, কিছু চরিত্রে শরীর প্রদর্শনেও অস্বস্তি হয়েছিল তাঁর।
কিছু দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়েও মন্তব্য করেন নীনা। তাঁর দাবি, ভারতীয়রা এখনও উদার হতে পারেননি। তাই বিয়ের প্রসঙ্গ এলেই আজও পুরুষেরা মহিলাদের মধ্যে কুমারীত্ব খোঁজেন। তাঁর বক্তব্য, “কে বলে, মানুষের মন এখন উদার হয়েছে? বহু বিষয় এখনও একই রকম রয়ে গিয়েছে। মাথায় ঘোমটা দিয়ে এখনও মহিলারা শ্বশুরের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আমরা, উদার মানুষজন আসলে সংখ্যালঘু। আমরা সমগ্র ভারতের প্রতিনিধিত্ব করি না।”