চার মাসের বিয়ে। কিন্তু সেই সম্পর্কের শেষ পরিণতি হল হত্যা। প্রেম দিবসে স্ত্রীকে চমক দিতে লং ড্রাইভে নিয়ে যান হরিয়ানার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট যুবক। তার পর গাড়ির মধ্যেই তাঁর গলা কেটে খুন করেন বলে অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, সেই ঘটনাকে ডাকাতি বলেও চালানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। হরিয়ানার ঝঝ্জরের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম অংশুল। স্ত্রী মেহেককে খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানিয়েছে, মেহেক একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে কাজ করতেন। অংশুলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল গত বছরের নভেম্বরে। মেহেক দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন অংশুল। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মেহেককে তাঁর বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে গাড়ি করে গুরুগ্রাম যান অংশুল। সেখানে দু’জন মিলে প্রেম দিবস উদ্যাপন করেন। অভিযোগ, তার পরই স্ত্রীকে খুন করেন অংশুল। পুলিশ সূত্রে খবর, কাঁচি দিয়ে গলার নলি কেটে দেওয়া হয় মেহেকের।
তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দুপুরের দিকে ১১২ নম্বরে ফোন আসে। বলা হয়, এক নবদম্পতির উপর ডাকাতেরা হামলা চালিয়েছে। লুটপাটে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতেই মহিলাকে খুন করা হয়। তার পর খালের ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছোতে অংশুল দাবি করেন, তিনিই ফোন করেছিলেন। কয়েক জন ডাকাতির উদ্দেশে তাঁদের গাড়ি আটকায়। তাঁর স্ত্রীকে খুন করে। তার পর তাঁদের গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় অংশুলকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অংশুলকে চেপে ধরায় খুনের কথা স্বীকার করেন। তার পর ডাকাতির গল্প ফাঁদেন। অংশুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।