এমবিএ তরুণীকে খুন করে ধর্ষণের ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ বলছে, সেই অপরাধের পরেও কোনও রকম অনুশোচনার ছাপ ধরা পড়েনি মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের অভিযুক্ত যুবক পীযূষ ধামনোটিয়ার চোখেমুখে। তদন্তকারী এক আধিকারিকের দাবি, বরং অনেক বেশি শান্ত দেখাচ্ছে অভিযুক্তকে।
মঙ্গলবার পীযূষকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। থানা থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেন। তখন তাঁদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসেন পীযূষ। তার পর বলেন, ‘‘ও সব ভুলে যান। যেটা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। আর এ সব জেনে কী করবেন?’’ অনেকের মতে, এই কথার মাধ্যমেই তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, যা করেছেন, তিনি ঠিক করেছেন। এটা নিয়ে বেশি ভেবে লাভ নেই। যদিও পরে তিনি জানান, এখনই সব কিছু খোলসা করতে চান না তিনি। সময় মতো সব কিছু জানাবেন।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তকে লাগাতার জেরা করা হচ্ছে। কেন এমবিএ তরুণীকে খুন করলেন, নেপথ্যে কোন কারণ রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জেলে থাকার সময় অভিযুক্তের কোনও অনুশোচনা নজরে পড়েনি। এমনকি, তিনি যে কোনও অপরাধ করেছেন, হাবভাবে সেটাও ধরা পড়ছে না। এই ধরনের আচরণের নেপথ্যে কোন তত্ত্ব কাজ করছে, তা জানার জন্য মনস্তাত্ত্বিকদের সাহায্যও নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে তারা জানতে পেরেছে, তরুণীকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর তাঁকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। শুধু তা-ই নয়, খুনের পর তরুণীর ‘আত্মা’র সঙ্গে কথা বলার জন্য তন্ত্রমন্ত্রেরও সাহায্য নেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তের ঘর থেকে এমবিএ পড়ুয়ার নগ্ন দেহ উদ্ধার হয়। তার পরদিনই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।