কিরণ ভট্টের সঙ্গে দাম্পত্যে থাকাকালীনই সোনি রাজ়দানের প্রেমে পড়েছিলেন মহেশ ভট্ট। সেই স্মৃতি হাতড়ে মেয়ে পূজা ভট্টের কাছে অনুতাপে ভেঙে পড়লেন বর্ষীয়ান পরিচালক। একই ধরনের অনুতাপ হয় আলিয়া ভট্টের মা সোনির। তাঁকে বিয়ে করতে নিজের ধর্মও নাকি বদল করতে হয় মহেশকে। এর নেপথ্যে কারণ জানালেন মেয়ে পূজা।
আরও পড়ুন:
কিরণের সঙ্গে বিয়ের পরে দুই সন্তান, পূজা ও রাহুল ভট্টের বাবা হয়েছিলেন মহেশ। তার পর একটা লম্বা সময় নাকি অভিনেত্রী পারভিন ববির সঙ্গে একত্রবাস করেন তিনি। পারভিনের শারীরিক অসুস্থতায় তাঁর খেয়াল রেখেছেন তিনি। যদিও পরে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। তখন নাকি কিরণের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে আরও একবার সুযোগ দেন মহেশ। কিন্তু, সেই সংসারে থাকতে থাকতেই সোনির সঙ্গে প্রেম শুরু তাঁর। এর পরে সোনিকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন মহেশ। এই সিদ্ধান্ত কিরণ, পূজা ও রাহুলের জীবনের বড় ধাক্কা। কিন্তু, সেই সময়েও বাবার পাশে ছিলেন পূজা। অন্যের ঘর ভাঙার যন্ত্রণা পাচ্ছিলেন সোনিও। তবে পূজা বলেন, ‘‘যখন সোনির সঙ্গে কথা হয়, আমি তাঁকে বলি যে, তিনি কোনও ভুল করেননি। আমার বাবা-মায়ের সম্পর্কে একটা ফাঁক ছিল বলেই সেখানে তৃতীয় ব্যক্তি ঢুকতে পেরেছে।’’
পাশাপাশি পূজা এ-ও জানান যে, সোনিকে বিয়ে করবেন বলে যে মহেশ প্রথম স্ত্রীকে ত্যাগ করেছেন, এমন নয়। তিনি তাঁর প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে কোনও অন্যায় করতে চাননি। সোনিকে বিয়ে করার জন্য ইসলাম গ্রহণ করেন মহেশ। পূজার কথায়, ‘‘আমার বাবা ধর্ম বদল করেন, কারণ তিনি আমার মাকে ত্যাগ করতে চাননি। তিনি আমাদের একলা ফেলে চলে যাননি।’’ পূজার সামনে মহেশ স্বীকার করেন, ‘‘আমি তোমাদের প্রত্যাখ্যান করছি, এমনও নয়। আমার জীবনে এক অন্য মহিলা রয়েছেন। কিন্তু, আমি তোমাদেরও ভালবাসি। আমি তোমার মা এবং এই বাড়ির খেয়াল রাখব।” পূজা জানান, সারাজীবন তাঁর বাবা কথা রেখেছেন। তেমনই তাঁর মা-ও কখনও বাবা মহেশের বিরুদ্ধে সন্তানদের দাঁড় করিয়ে দেননি।