বাবা তাঁর বন্ধু। অন্তত এমনটাই মনে করেন সারা আলি খান। ফাদার্স ডে-র দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আব্বা’ অর্থাত্ সইফ আলি খানের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে সেই বার্তাই যেন দিতে চাইলেন সারা।

সারার মাত্র ন’বছর বয়সে বাবা-মা অর্থাত্ সইফ এবং অমৃতার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। মায়ের কাছেই বড় হয়েছেন সারা। কিন্তু বাবার সঙ্গে চিরকালই সুসম্পর্ক ছিল। বলিউডে কেরিয়ার শুরু করার আগেও মেয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন সইফ। কেরিয়ার হোক বা ব্যক্তিজীবন, বাবার পরামর্শ মেনে চলেন নায়িকা।

এ দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় সারা লেখেন, ‘হ্যাপি ফাদার্স ডে আব্বা। আমার পাশে সব সময় থাকার জন্য ধন্যবাদ। কী ভাবে পড়ব সেটা শেখানোর জন্য, ছুটির দিনে আমার সঙ্গী হওয়ার জন্য, জীবনের প্রথম বৃষ্টি আর বরফ দেখানোর জন্য, কী ভাবে স্প্যাগেটি খাব সেটা শেখানোর জন্য, সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য, ভালবাসা— এ সব শেখানোর জন্য ধন্যবাদ।’

দেখুন, বিনোদনের নানা কুইজ

আরও পড়ুন, যৌন হেনস্থার অভিযোগ থেকে রাজনীতিতে যোগ, ‘অঙ্গুরি ভাবি’ বিতর্কে জড়িয়েছেন বারবার…

(হলিউড, বলিউড বা টলিউড - টিনসেল টাউনের টাটকা বাংলা খবর পড়তে চোখ রাখুন আমাদের বিনোদনের সব খবর বিভাগে।) 

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।