Advertisement
E-Paper

মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’-এ গিয়ে কী অভিজ্ঞতা? কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে মানুষের সমস্যা? জানালেন ঋদ্ধি

সরকার গঠন হওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পৌঁছে গিয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। কেমন ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সেই সাক্ষাৎ? জনতার দরবারের অভিজ্ঞতা কেমন? জানালেন ঋদ্ধি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ০৮:৫৯
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ শুনে কী আশ্বাস দিলেন ঋদ্ধিকে?

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ শুনে কী আশ্বাস দিলেন ঋদ্ধিকে? ছবি: সংগৃহীত।

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরেই আশা প্রকাশ করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, গত ১২ বছরে কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে ডাক পাননি তিনি। সরকার গঠন হওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পৌঁছে গিয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। কেমন ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সেই সাক্ষাৎ? জনতার দরবারের অভিজ্ঞতা কেমন? জানালেন ঋদ্ধি।

গায়িকার দাবি, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখলেই পাওয়া যেত সরকারি অনুষ্ঠানের ডাক। এই একই কারণে তিনি ১২ বছর ডাক পাননি বলেও জানান। ঋদ্ধির আক্ষেপ, “সেই সময়ে এক জন শিল্পীও প্রতিবাদ করেননি। কোনও বর্ষীয়ান শিল্পীও আপত্তি জানাননি।” এই সমস্ত অভিযোগ প্রথমে লিখিত আকারে জানিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তাঁর বক্তব্য, “আমি অভিযোগগুলি জানানোর এক দিনের মধ্যে তৎপরতার সঙ্গে আমাকে ডাকা হয়েছে। বিষয়টির গুরুত্ব মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছেন। সঙ্গে সঙ্গে ডেকেছেন। এই বিষয়টি আমার খুব ভাল লেগেছে।”

‘জনতার দরবার’-এ গিয়ে কী অভিজ্ঞতা? গায়িকার উত্তর, “মুখ্যমন্ত্রী সবটা মন দিয়ে শুনেছেন। আমাকে ভরসা দিয়েছেন যে, এমন কিছু আর আগামী দিনে হবে না। আমি ১২ বছর নিষিদ্ধ ছিলাম। কেউ ১০ বছর ছিলেন। যারা দোষী, তারা শাস্তি পাক, এটা আমরা চাই। সেই আশ্বাসও মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন। কোনও শিল্পীকে ‘নিষিদ্ধ’ করার অধিকার কারও নেই। আমরা সকলে গান শিখে এখানে এসেছি।”

ঋদ্ধির মতোই সেই দিন শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’-এ উপস্থিত ছিলেন সাধারণ মানুষও। তাঁরাও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে সেখানে হাজির হয়েছিলেন। গায়িকার কথায়, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ যোগাযোগ করছেন। গ্রামগঞ্জ, মফস্সল থেকে মানুষ নথিপত্র নিয়ে আসছেন। নিজেদের সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। সকলের সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”

‘জনতার দরবার’-এর কর্মীদের আচরণ নিয়েও কথা বলেন ঋদ্ধি। তিনি বলেন, “আমি সত্যি কথা বলতে, অবাক হয়ে গিয়েছি। এত ভদ্র ব্যবহার প্রত্যেকের। অল্প বয়সিদেরও সম্মান দিয়ে কথা বলা হচ্ছে। দু’জন প্রবীণ মানুষ এসেছিলেন। সেই মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও লকেট ও শশীদি ছিলেন। এঁরা প্রত্যেকে প্রবীণদের সঙ্গে অতি বিনয়ী ভাবে কথা বলছিলেন।”

ঋদ্ধি জানান, জমিবাড়ি সংক্রান্ত দুর্নীতির শিকার ওই দুই প্রবীণ মানুষ। সেই অভিযোগ নিয়েই তাঁরা এসেছিলেন। “তৃণমূল আমলে তো দুর্নীতি ছাড়া কিছু হয়নি। বিশ্বের ইতিহাসে এমন নেই, একটা দলের প্রত্যেকে চোর। এই দুই প্রবীণ মানুষও এই দুর্নীতির শিকার। ওঁদের কথা সেই দিন সকলে মন দিয়ে শুনেছেন এবং সমাধানের জন্যও পদক্ষেপ করছেন।” এ সব দেখে অভিভূত ঋদ্ধি। সবশেষে তাঁর প্রত্যাশা, “যাঁরা কাজ পেতেন আগে, তাঁরা আর পাবেন না, এমন আমি চাই না। তাঁরা যোগ্যতা অনুযায়ী অবশ্যই কাজ পান। কিন্তু সব কাজ নির্দিষ্ট কিছু মানুষই করবে, এমন যেন আর না হয়। প্রত্যেকে যেন সমান ভাবে কাজের সুযোগ পান।”

Riddhi Bandyopadhyay Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy