×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৯ জুন ২০২১ ই-পেপার

‘খড়কুটো’-তে এসে বিয়ের রীতি শিখতে হচ্ছে আমায়, জানালেন সোহিনী সেনগুপ্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৬:২৪
সোহিনী সেনগুপ্ত।

সোহিনী সেনগুপ্ত।

তিনি ‘নাচনি’। তিনি ‘মাধবী’। তিনি ‘অন্ত আদি অন্ত’-র নায়িকা। জীবনের অধিকাংশ সময়টা মঞ্চেই কাটিয়েছেন অভিনেত্রী। সেলুলয়েডে অভিনয় করেছেন বটে। কিন্তু কখনও ধারাবাহিকে অভিনয় করবেন, এ কথা নিজেও ভাবেননি। আর আজ তিনি টেলিভিশনের বিখ্যাত ‘পুটু পিসি’। ‘খড়কুটো’-র ধারাবাহিকে যার বিয়ে নিয়ে এখন মত্ত দর্শক! তাঁর কাছ থেকে ধারাবাহিকে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা জানতে চাইল আনন্দবাজার ডিজিটাল।


ধারাবাহিকে আসার কারণ কী? ভাল লাগছে?

লীনাদি (লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, ধারাবাহিকের লেখক) আমায় বহু দিন ধরেই বলছিলেন ধারাবাহিকে কাজ করার জন্য। স্কুল ও নান্দীকারই আমার জীবন। সেগুলোর পাশাপাশি ধারাবাহিকে অভিনয় করার কথা কোনও দিন কল্পনাতেও আনিনি। কিন্তু এখন আফসোস করি আমি। এই মাধ্যমে অনেক আগে থেকেই কাজ করা উচিত ছিল আমার। ঠিক কতটা ভাল লাগছে আমার, বলে বোঝাতে পারব না। আর লীনাদি ছাড়া সেটা সম্ভব ছিল না। আমি ওঁকে বড্ড বিশ্বাস করি। আমি জানি, উনি যেটা বানাবেন সেটা আমার ভাল লাগবেই। আর সপ্তর্ষি (সোহিনীর স্বামী, ‘শ্রীময়ী’ ধারাবাহিকে ডিঙ্কার চরিত্রে অভিনয় করেন) অনেক দিন ধরে লীনাদির সঙ্গে কাজ করছে বলে আরওই ভরসা পেয়েছিলাম আমি।

Advertisement
‘খড়কুটো’-র ‘পুটু পিসি’।

‘খড়কুটো’-র ‘পুটু পিসি’।


অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী মনে করেন, ধারাবাহিকে কাজ করলে অভিনয়ের চর্চাটা বন্ধ হয়ে যায়। আপনার মতে?

না, এটা মনে করি না আমি। মঞ্চের মতো ধারাবাহিকেও আমার অভিনয়ের চর্চা হয়। বিশেষ করে লীনাদির চিত্রনাট্য ও সংলাপের কারণে এই চর্চাটা বজায় রয়েছে। লীনাদির দক্ষতার একটা উদাহরণ দিই, আমাদের প্রত্যেকটা চরিত্রর সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম পার্থক্য বজায় রেখেছেন তিনি। আর তার জন্য সংলাপগুলির দিকে নজর দেন তিনি। একটা চরিত্রের কথা বলার ধরন অন্য পাঁচ জনের মতো হবে না। এক জন লেখিকা দিনের পর দিন সেটা মাথায় রেখেই এতগুলো চরিত্রকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন।

ধারাবাহিকে এখন আপনার বিয়ে নিয়ে মাতামাতি। কেমন লাগছে বিয়ে করতে?

আমি আর সপ্তর্ষি রীতি মেনে বিয়ে করিনি। কেবল সইসাবুদেই কাজ সেরেছিলাম। তাই এটা আমার কাছে সম্পূর্ণ নতুন অভি়জ্ঞতা। ধারাবাহিকের সবাই মিলে আমায় বিয়ের রীতি শেখাতে ব্যস্ত। বেশ মজার লাগছে গোটা পর্বটা। এমনিতেই এই ধারাবাহিকের সমস্ত কলাকুশলীরা খুব ভাল। একটা পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছি আমরা। পর্দায় এই পরিবারের চেহারাটা ঠিক যেমন, সে রকমই পর্দার পিছনেও আমরা আনন্দে মেতে থাকি।

Advertisement