করাচিতে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে সন্ত্রাসের মুখোমুখি হয়েছিলেন সোনু নিগম। তবে অনুষ্ঠান থামেনি। কী ঘটেছিল সেই দিন? কী ভাবে পাকিস্তানের মানুষ সেই দিন তাঁকে সাহায্য করেছিলেন, জানালেন গায়ক।
২০০৪ সালের ১০ এপ্রিল। করাচিতে গানের অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন গায়ক। সেই অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশেই একটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল বেশ কয়েক জনের। কিন্তু তবুও সে দিন অনুষ্ঠান থামেনি। সে দিন ঠিক কী কী হয়েছিল, তার বিবরণ সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন সোনুর এক পাকিস্তানি অনুরাগী। সেই ভিডিয়োই সোনুও সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন।
সে দিন সোনু বিস্ফোরণের পরে মঞ্চে উঠে ‘কভি খুশি কভি গম’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কল হো না হো’, ‘বীর জ়ারা’ ছবির গান গেয়েছিলেন। তিনি যখন ‘সুরজ হুয়া মধ্যম’ গাইছেন, তখন তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়েছিলেন শ্রোতা-দর্শক। মঞ্চে ওঠার আগে কিছুটা সন্ত্রস্ত ছিলেন সোনু। তবে শ্রোতা-দর্শক তাঁর গান শোনার অপেক্ষা করে আছেন দেখে তিনি সাহস সঞ্চার করেছিলেন। মঞ্চে উঠেই বলেছিলেন, “এই সন্ধেয় আমি আপনাদের মনোরঞ্জন করার চেষ্টা করব। আপনাদের তাড়া নেই তো?”
আরও পড়ুন:
সোনুর ভাগ করে নেওয়া ভিডিয়োয় সাক্ষাৎকার রয়েছে সেই অনুষ্ঠানের আয়োজক ফারকান সিদ্দীকীর। তিনি জানান, ওই অনুষ্ঠানের পরেই প্রতি বছর ১০ এপ্রিল সোনুর কাছ থেকে একটি বার্তা পেতেন। সেখানে সোনু বলতেন, “আমরা একসঙ্গে সেই দিন মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছিলাম। সেই দিন হামলা হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আমাকে বাঁচিয়েছিলেন সেই পাকিস্তানিরাই।”
এই গোটা ভিডিয়োটি সোনু ভাগ করে নিয়েছেন সমাজমাধ্যমে। স্পষ্টতই তিনি আজও বিশ্বাস করেন, সেই দিন পাকিস্তানের মানুষের জন্যই তিনি নিরাপদে অনুষ্ঠান সেরে দেশে ফিরতে পেরেছিলেন।