Advertisement
E-Paper

নির্দিষ্ট তিথির আগেই পুষ্পাঞ্জলি, খিচুড়ি সহকারে সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের সরস্বতীপুজো! কারণ জানালেন শিল্পীরাই

শ্বেতশুভ্র প্রতিমার পরনে সোনালি রঙের শাড়ি আর সোনার সাবেকি গয়না। সোনার মুকুটও বিশেষ নজরকাড়া। দেবীপ্রতিমার সামনে সারি দিয়ে বসে নানা বয়সের ছাত্রছাত্রীরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:৪৮
সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের সরস্বতীপুজো।

সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের সরস্বতীপুজো। নিজস্ব চিত্র।

বসন্তপঞ্চমী তিথির আগেই বাগ্‌দেবীর আরাধনায় সৌরেন্দ্র ও সৌম্যজিৎ। তিথি অনুসারে ২৩ জানুয়ারি সরস্বতীপুজো। কিন্তু তার আগের দিনই সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিলেন তাঁদের ছাত্রছাত্রীরা।

শ্বেতশুভ্র প্রতিমার পরনে সোনালি রঙের শাড়ি আর সোনার সাবেকি গয়না। সোনার মুকুটও বেশ নজরকাড়া। দেবীপ্রতিমার সামনে সারি দিয়ে বসে নানা বয়সের ছাত্রছাত্রীরা। পুজোর আয়োজনও হয়েছে তাঁদের হাতেই। সব ছাত্রছাত্রীর পরনেও সাদা রঙের পোশাক এবং তাতে ঘিয়ে রঙের ছোঁয়া। কিন্তু কেন এক দিন আগেই পুজোর আয়োজন ও পুষ্পাঞ্জলি? প্রশ্ন করতেই সৌম্যজিতের উত্তর, “আসলে আমাদের প্রতিষ্ঠান শুরু হয়েছিল ৩০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে। কিন্তু দিন দিন সেই সংখ্যাটা বেড়ে ৫০০-এ দাঁড়িয়েছে। সরস্বতীপুজোর দিন প্রত্যেকেরই স্কুল এবং বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। সেখান থেকেই ঠিক করি, পুজোর আগের দিনই আমরা পুষ্পাঞ্জলির ব্যবস্থা করব, তা হলে সবাই যোগ দিতে পারবে।”

ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবেই তিথির বিষয়টি দূরে রেখে নির্দিষ্ট দিনের আগেই পুজো করার সিদ্ধান্ত শিল্পীদের। তবে তাতে আরাধনায় নেই কোনও খামতি। গত এক মাস ধরে এই পুজোর প্রস্তুতি হয়েছে। সৌম্যজিতের কথায়, “বাজার করা থেকে ঠাকুরের ভোগ রাঁধা ও অতিথি আপ্যায়ন— সবটাই ছাত্রছাত্রীরা করে। এটা আমাদের কাছে মহাযজ্ঞ। এ বছর আড়াই হাজারের উপর নারকেল নাড়ু তৈরি হয়েছে। ১৫ জন ছাত্রছাত্রীর একটি দল নাড়ু বানিয়েছে। তাই শুধুই সরস্বতীপুজো বা তার আগের দিনের উদ্‌যাপন একে বলা যায় না। বহু দিন ধরেই আমাদের পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে।”

আরাধনায় ছাত্রছাত্রীরা।

আরাধনায় ছাত্রছাত্রীরা।

সরস্বতী আরাধনার জন্য একটি গানও বেঁধেছেন সকলে মিলে। এক মাস ধরে সঙ্গীতাঞ্জলি অভ্যাস করেছেন ছাত্রছাত্রীরা। এ দিন পুষ্পাঞ্জলির আগে এই সঙ্গীতাঞ্জলি সমবেত কণ্ঠে নিবেদন করেন সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিৎ ও তাঁদের ছাত্রছাত্রীরা। সৌরেন্দ্র মনে করেন, সরস্বতীপুজো শুধুই যেন সঙ্গীতের উদ্‌যাপন হয়ে না থেকে যায়। তাঁর কথায়, “এ এক চিন্তনের উদ্‌যাপন। সঙ্গীতের মাধ্যমে শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমকে তুলে ধরাই লক্ষ্য। শুধুই একটি হিন্দু উৎসব, এই ধারণার বাইরে গিয়ে সামগ্রিক ভাবে এক অনুভূতির উদ্‌যাপনের বার্তাই দিতে চাই আমরা। যে গানগুলি এই দিনের জন্য বাঁধা হয় সেগুলি সংস্কৃত মন্ত্রের থেকেই এসেছে। কিন্তু সেটা সহজ ভাষায় মানুষের কাছে পৌঁছোনো হয়।”

সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের সরস্বতীপুজোয় উপস্থিত ছিলেন বিক্রম ঘোষ ও তনুশ্রীশঙ্করও। বসন্ত পঞ্চমীর পূর্ণিমা তিথিতেও পুজো হবে বলে জানান দুই শিল্পী।

saraswati puja soumojit-sourendra
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy