পাকিস্তানের মানুষদের গল্প নিয়ে তৈরি ছবি ‘ধুরন্ধর’ সম্পর্কে বেশ কিছুদিন আগেই সরব হন স্বরা ভাস্করের মা ইরা ভাস্কর। তাঁর অভিযোগ, এই ছবিতে বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে হিংস্র হিসেবে দেখানো হয়েছে। স্বরা নিজেও এই ছবির বিরোধিতা করেছেন। তাঁর স্বামী মুসলিম বলেই অন্য ধর্মের প্রতি তাঁর টান, এমন কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। এ বার পাকিস্তানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্বরা।
এই মুহূর্তে পাকিস্তান ও ভারত দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক আদানপ্রদান বন্ধ। দুই দেশের মধ্যে নাগরিকদের যাতায়াতও বন্ধ। যদিও স্বরা পাকিস্তান ঘুরে এসেছেন অনেক আগে। ২০০৫ সালে তিনি প্রথম বার পাকিস্তান যান। সেই সময় কলেজে পড়তেন। একদিন হঠাৎই ইচ্ছে হয় তাঁর প্রতিবেশী রাষ্ট্র ঘুরে দেখবেন। বাবা ছিলেন নৌসেনার আধিকারিক। তাঁর সাহায্য নিয়ে বান্ধবীকেও নিয়ে গেলেন পাকিস্তানে। স্বরার কথায়, ‘‘একদিন হঠাৎ ইচ্ছে হল ‘শত্রু দেশে’ যাব। পাড়ি দিলাম সেখানে। আমি বহু দেশ ঘুরেছি। লন্ডন, প্যারিস, আমেরিকায় গিয়েছি। সত্যি বলতে কী, পাকিস্তানে লাহৌর শহরের তুলনা হয় না। এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়নি শত্রু দেশে আছি। এতটা আতিথেয়তা পেয়েছি।’’ স্বরা এও জানান, লাহৌরের আনারকালি মার্কেটের বিক্রেতারা তাঁকে ও তাঁর বন্ধুকে রীতিমতো চা, সিঙারা খাইয়েছেন। স্বরার মতে, ‘‘আসলে কোনও দেশের মানুষ খারাপ নয়। সব কিছু নির্ভর করে সরকারের উপর।’’ ২০০৫-এর পর ফের নাকি এক বার সে দেশে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল অভিনেত্রীর।