২০২৫ সালে এই দিনেই স্বামী-স্ত্রী হিসাবে পথচলা শুরু করেন শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাস। সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, তাঁদের বিয়ের জন্মদিন। শ্বেতা জানান, প্রেমপর্বের সময় থেকেই রুবেলকে স্বামী হিসাবে মেনে নিয়েছিলেন। এখন শুধু একসঙ্গে থাকার বছরপূর্তি। এই এক বছরে স্বামীর সঙ্গে বোঝাপড়া থেকে ঝগড়া, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা আনন্দবাজার ডট কম-কে জানালেন শ্বেতা।
আরও পড়ুন:
মধ্যরাতেই শুরু হয়েছে উদ্যাপন। সকালেও তারকাদম্পতির বাড়িতে হইহই ব্যাপার। সন্ধ্যায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন তাঁরা। শ্বেতা জানান, এই অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের আত্মীয়-পরিজন, বন্ধুবান্ধব থাকবেন। এ ছাড়াও থাকবেন ইন্ডাস্ট্রির সেই বন্ধুরা যাঁদের বিয়ের সময় ডাকতে পারেননি। এই এক বছরের দাম্পত্যে রুবেলের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরতর হয়েছে, বোঝাপড়া যেন আরও দৃঢ় হয়েছে, মত শ্বেতার। বিয়ের প্রথম বছর প্রেমে ডুবে থাকলেও, বেশ ঝগড়াও হয় তাঁদের। শ্বেতার কথায়, ‘‘আমাদের ঝগড়াটা খুব ছেলেমানুষের মতো। বিশেষত ঘুরতে যাওয়া নিয়ে ঝগড়া হয়। তবে ঝগড়া-রাগ-অভিমান হলে ‘সরি’ চেয়ে নিই। সেটা কেবল বলার জন্য নয়, একেবারে মন থেকে চাই।’’
দাম্পত্যজীবনে ওঠাপড়া তো আসেই। কিন্তু শ্বেতা ও রুবেলের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। তাঁদের যত ঝড়ঝাপটা, সব বিয়ের আগেই এসেছে। বিয়ের পরে একের অপরের সঙ্গে যে কতটা ভাল আছেন, সেটাই প্রতিটা মুহূর্তে অনুভব করতে পারেন। একে অন্যের শিরদাঁড়া হয়ে পাশে থাকতে চান আজীবন। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে রুবেলের থেকে কী উপহার পেলেন অভিনেত্রী? এই কথা জানাতে অবশ্য নারাজ শ্বেতা। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা নজরে বিশ্বাসী, তাই বলতে চাই না। আমার শুধু ইচ্ছে একটাই, সিঁথির সিঁদুর অক্ষত নিয়েই যেন মরতে পারি। মৃত্যুর সময় সিঁথি যেন লাল থাকে আমার।’’ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী তাঁদের? শ্বেতা জানান, এই মুহূর্তে সন্তান নিয়ে কিছু ভাবছেন না তাঁরা।