তিনি প্রচারবিমুখ। সাক্ষাৎ তো অনেক বড় ব্যাপার, ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলতেও তাঁর অনীহা। মেয়ে ছাড়া নাকি কারও সঙ্গেই দীর্ঘ ক্ষণ কথা বলেন না তিনি। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের আলোচনায় প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে নিয়ে এমন অনেক কথা শোনা যায়। সম্প্রতি বলিপাড়ায় গুঞ্জন, প্রযোজক আদিত্য শুধু মেয়ে আদিরা নয়, আরও এক জনের সঙ্গে ফোনে তিন ঘণ্টা ধরে কথা বলেছেন।
আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রণবীর সিংহ এবং আদিত্য। দীর্ঘদিনের দূরত্ব কাটিয়ে আবার নাকি এক হয়েছেন গুরু-শিষ্য। আদিত্যের ‘যশরাজ ফিল্মস্’-এর মাধ্যমেই অভিনয়জীবনের শুরু রণবীরের।
শোনা যাচ্ছে, সম্প্রতি আদিত্য আর রণবীরের টানা তিন ঘণ্টা কথা হয়েছে। মায়ানগরীতে এই মুহূর্তে আলোচনায় এই বিষয়টি। কারণ, আদিত্য এমন এক জন ব্যক্তি যিনি সাধারণত প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকেন এবং খুব সীমিত মানুষের সঙ্গেই কথা বলেন।
আদিত্য প্রযোজিত ‘ব্যান্ড বাজা বরাত’ ছবির মাধ্যমে ২০১০ সালে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন রণবীর। এর পর দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ‘যশরাজ ফিল্মস্’-এর ‘ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিম’ রণবীরের কেরিয়ার দেখভাল করে। কোন ছবি করবেন, কত পারিশ্রমিক নেবেন, কোন অভিনেত্রীর সঙ্গে জুটি বাঁধবেন— সব কিছুতেই নাকি আদিত্যের সরাসরি নজর থাকত।
আদিত্য আর রণবীর আবার একসঙ্গে কাজ করছেন? ছবি: সংগৃহীত।
এমনকি, রোহিত শেট্টী যখন ‘সিম্বা’র জন্য রণবীরকে বেছে নেন, তখনও নাকি তাঁকে আদিত্যের অনুমতি নিতে হয়েছিল। ইন্ডাস্ট্রিতে এমন কথাও প্রচলিত ছিল যে, রণবীরকে কী ভাবে সামলাতে হবে, সে বিষয়ে বিশেষ ‘ম্যানুয়াল’ও দেওয়া হয়েছিল পরিচালককে। তবে সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ বদলাতে শুরু করে।
আরও পড়ুন:
‘বেফিকরে’ এবং ‘জয়েশভাই জোরদার’— দুই ছবি বক্স অফিসে আশানুরূপ সাফল্য না পাওয়ায় রণবীর নাকি নতুন পথ খুঁজতে শুরু করেন। ২০২২ সালের শেষের দিকে তিনি ‘যশরাজ’ থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন বলেও শোনা যায়। অন্য দিকে, আদিত্যও নাকি তাঁকে নতুন সুযোগ খোঁজার স্বাধীনতা দেন।
সম্প্রতি আদিত্য ধর-এর সঙ্গে রণবীরের নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ঘিরে তৈরি হয়েছে বিপুল উন্মাদনা। সেই সাফল্যের আবহেই রণবীর নাকি ফোন করেন তাঁর আদিত্যকে। আর তার পরই ঘটে সেই দীর্ঘ ফোনালাপ। পরে একটি গোপন বৈঠকও হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছে। বলিউডের অন্দরমহলে এখন জোর গুঞ্জন— বহুদিন পর আবার একসঙ্গে কাজ করতে পারেন আদিত্য ও রণবীর। যদিও এ বিষয়ে কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি।