E-Paper

উস্তাদ সাবির খানের জীবনাবসান

১৯৫৯ সালের ৪ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের রামপুরে সাঙ্গীতিক পরিবারে জন্ম সাবির খানের। পিতামহ উস্তাদ মাসিত খানের কাছে তবলা-শিক্ষার হাতেখড়ি সাবিরের।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ০৬:৪৪
উস্তাদ সাবির খান।

উস্তাদ সাবির খান। — ফাইল চিত্র।

সাতষট্টি বছর বয়সে জীবনাবসান ঘটল ঐতিহ্যবাহী ফারুকাবাদ ঘরানার খ্যাতনামা তবলা-শিল্পী উস্তাদ সাবির খানের। বুধবার রাতে কলকাতার বাড়িতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন তিনি। তাঁকে ভর্তি করানো হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানেই প্রয়াত হন তিনি।

১৯৫৯ সালের ৪ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের রামপুরে সাঙ্গীতিক পরিবারে জন্ম সাবির খানের। পিতামহ উস্তাদ মাসিত খানের কাছে তবলা-শিক্ষার হাতেখড়ি সাবিরের। পরে সাবির প্রশিক্ষণ পান তাঁর বাবা তথা উপমহাদেশের অন্যতম কিংবদন্তি তবলিয়া উস্তাদ কেরামতুল্লা খানের কাছে। অল্প বয়স থেকে দেশের নামী কণ্ঠ ও বাদন শিল্পীদের সঙ্গত করার সূত্রে সাবির অচিরে ভারতীয় মার্গগানের জগতে অতি-পরিচিত নাম হয়ে ওঠেন। পণ্ডিত রবিশঙ্কর, উস্তাদ নিসার হুসেন খান, পণ্ডিত মল্লিকার্জুন মনসুর, উস্তাদ বিসমিল্লা খান, উস্তাদ আমজাদ আলি খান, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়ার মতো বহু কিংবদন্তি শিল্পীর সঙ্গে বাদনে সাবির খান উজ্জ্বল শ্রুতিচিহ্ন রেখে গিয়েছেন।

সাবির খানের বাদনে ঘরানা-পরম্পরার পাশাপাশি ধরা দিত তাঁর নিজস্বতার ধ্বনি-সম্পাদনা। তবলা বাদনের পাশাপাশি কণ্ঠসঙ্গীতেও পারদর্শী ছিলেন সাবির। বাংলা, হিন্দি, মরাঠি, ইংরেজি প্রভৃৃতি ভাষার বেশ কিছু ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। তাঁর স্বকণ্ঠের গানও ধরা রয়েছে কিছু ছবিতে। কলকাতায় সাবির গড়ে তুলেছিলেন তাঁর বাবার নামাঙ্কিত উস্তাদ কেরামতুল্লা খান মিউজিক সোসাইটি, যেখানে তিনি নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতেন। জীবনের নানা পর্বে পেয়েছেন একাধিক প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি সম্মাননা। তবে, তাঁর বিশেষ-বিমূর্ত সম্মাননা সম্ভবত সর্বস্তরের মানুষের ভালবাসা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Tabla Artists Tabla

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy