পাহাড়ে গিয়ে ম্যাগি বিক্রি করলেন দিল্লির এক তরুণ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর (বিষয়স্রষ্টা)! তাঁর এক দিনের উপার্জনের পরিমাণ প্রকাশ্যে আসতেই বিস্ময়ে হতবাক নেটপাড়া। অনেকে আবার বিশ্বাসই করতে পারলেন না যে, ম্যাগি বিক্রি করে এক দিনে অত টাকা উপার্জন করেছেন তরুণ। পাহাড়ে গিয়ে ওই বিষয়স্রষ্টার ম্যাগি বিক্রির ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। কোন পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে তিনি ম্যাগি বিক্রি করেছিলেন, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
ঠান্ডা আবহাওয়ায় আরামদায়ক খাবারের সন্ধানে থাকা ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ম্যাগি দীর্ঘ দিন ধরেই জনপ্রিয়। দিল্লির তরুণ বিষয়স্রষ্টা দেবাংশ ত্যাগী সম্প্রতি সেই জনপ্রিয়তাকেই এক দিনের ব্যবসায়িক পরীক্ষায় পরিণত করেছিলেন। দেখতে চাইছিলেন যে পাহাড়ে গিয়ে ম্যাগি বিক্রি করা কতটা লাভজনক হতে পারে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, অস্থায়ী ব্যবসা শুরুর আগে একটি মনোরম জায়গার সন্ধান করছেন তরুণ। এর পর অস্থায়ী দোকান তৈরি করে সেখানে একের পর এক ‘ইনস্ট্যান্ট নুডল্স’-এর প্যাকেট সাজিয়ে রাখেন তিনি। গ্রাহকদের জন্য প্লাস্টিকের টেবিল এবং চেয়ার রাখেন। তৈরি করে ফেলেন ছোট্ট একটি রান্নার জায়গাও। দোকান খোলার পর থেকেই সেখানে হাইকার এবং পর্যটকেরা খাবারের জন্য আসতে শুরু করেন তরুণের দোকানে। পাহাড়ি এলাকার মনোরোম দৃশ্য দেখতে দেখতে ধোঁয়া ওঠা ম্যাগি উপভোগ করেন। তরুণ বিষয়স্রষ্টা ভিডিয়োয় জানান, প্রতি প্লেট সাধারণ ম্যাগি ১০০ টাকা এবং মাখন ম্যাগি ১২০ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি। ক্রেতার আনাগোনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দোকানে সমস্ত মজুত ম্যাগি শেষ হয়ে যায়। ব্যবসার শেষে তরুণ দাবি করেন, ম্যাগি বিক্রি করে এক দিনে ২৪,০০০ টাকা আয় করেছেন তিনি। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটি দেবাংশ পোস্ট করেছেন নিজেরই ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। ৪০ লক্ষের বেশি বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার মজার মজার মন্তব্য করেছেন অনেকে। চাকরির পরিবর্তে পাহাড়ে গিয়ে ম্যাগি বিক্রির পরিকল্পনা করবেন বলেও জানিয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর মজা করে লিখেছেন, ‘‘পাহাড়ে ম্যাগির দোকান খোলার জন্য আমি কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দেব। তার আগে শিক্ষানবিশ হিসাবে কোথাও ম্যাগি বানানো শিখে নেব।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘নতুন ব্যবসার ফন্দি মাথায় এল। ৯টা-৫টার চাকরি ছেড়ে এই ব্যবসায় করব।’’