Advertisement
E-Paper

ঈশ্বর দ্বিতীয় সুযোগ দিয়েছেন, হয়তো কিছু কাজ বাকি, আমার তাই কারও দোষ চোখে পড়ে না: পাপিয়া

“আমার কাছে স্টুডিয়োপাড়া দ্বিতীয় পরিবার। আমি মিলেমিশে সকলের সঙ্গে থাকতে চেষ্টা করি। ওঁরাও আমায় দিদির মতো সম্মান করেন।”

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:০১
অভিনয়ে ফিরে খুব খুশি পাপিয়া সেন।

অভিনয়ে ফিরে খুব খুশি পাপিয়া সেন। ছবি: সংগৃহীত।

যদি হও সুজন, তেঁতুলপাতায় ন’জন... প্রবাদবাক্য ভারী পছন্দ পাপিয়া সেনের। কখনও অসুস্থতা, কখনও কোভিড— সব মিলিয়ে লম্বা বিরতি। পাপিয়া নতুন করে ছোটপর্দায় ফিরেছেন। ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’য় তিনি নায়ক সোমরাজ মাইতির ঠাকুরমা।

অনেক দিন পরে ছোটপর্দার দুনিয়ায়। অনেক বদলে গিয়েছে চারপাশ?

বর্ষীয়ান অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করেছিল আনন্দবাজার ডট কম। ফোনের ও পারে পাপিয়ার কণ্ঠে তৃপ্তির ছোঁয়া। হাসতে হাসতে বললেন, “শুরুতে এই প্রশ্ন অনেকেই করেছেন। প্রত্যেককে বলেছি, যেখানে ছেড়ে গিয়েছিলাম, সেখানেই ফিরে এসেছি। কেউ বদলাননি। কিচ্ছু বদলায়নি।” কিন্তু ইদানীং অনেক বর্ষীয়ান অভিনেতা-অভিনেত্রীর প্রচ্ছন্ন অভিমান এই মাধ্যমকে ঘিরে। কারও মত, গল্প শুরুতে একরকম। দিন এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে তাতে এত বদল আসে যে কাজ করতে অস্বস্তি হয়। কারও মত, নিজস্ব মেকআপ রুম থাকে না। মাঝপথে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়।

পাপিয়ার মতে, “আমি যে ধারাবাহিকে অভিনয় করছি সেটার গল্প কিন্তু খুবই মিষ্টি। দর্শকের পাশাপাশি আমার পরিবারের সবাই দেখেন। কেউ আজ পর্যন্ত খারাপ বলেননি। আমারও খারাপ লাগে না।” অভিনেত্রী আরও যোগ করেছেন, “বাবার বাড়িতে আমরা ভাই-বোনেরা মিলে বড় হয়েছি। আমাদের মা সকলের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে ভালবাসতেন। আমার শ্বশুরবাড়িও তাই। হয়তো আমার মধ্যেও সেই গুণ থেকে গিয়েছে। তাই স্টুডিয়োয় পা রেখে যখন সকলের নাম ধরে ডাকি, ওরা ঘিরে দাঁড়ায়। আমি ওদের ঠাকুরমার বয়েসি। তা-ও ওরা আমায় ‘দিদি’ বলে ডাকে। আমার কোমরে কষ্ট বলে সোফা হাজির!”

এখানেই শেষ নয়। সংলাপ ভুলে গেলে ওঁরা পাপিয়াকে ধরিয়ে দেন। একসঙ্গে আড্ডা দেন। খাওয়াদাওয়া সারেন।

বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর দাবি, তাঁর কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। কারও মন্দ তাঁর চোখেও পড়ে না। একটু থমকে নিজেকেই যেন বুঝিয়েছেন, “ঈশ্বর জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। হয়তো কিছু কাজ বাকি। তাই মারণরোগকে হারিয়ে দ্বিতীয় জীবন আমার। কবে আছি কবে নেই! কারও দোষ তাই খুঁজি না। যত দিন আছি, কাজ করে যাই। সকলের মধ্যে সকলের হয়ে বেঁচে থাকতে চাই।”

Papiya Sen
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy