গর্ভাবস্থায় হবু মায়েদের ফলিক অ্যাসিড খেতে বলেন চিকিৎসকেরা। তবে এই পুষ্টি উপাদান প্রত্যেকের শরীরেই অত্যন্ত জরুরি। ফলিক অ্যাসিড আসলে এক ধরনের বি ভিটামিন। এর নাম ভিটামিন বি৯। এই ভিটামিন শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না, তাই খাবারের মাধ্যমেই এই পুষ্টিগুণের অভাব পূরণ করা জরুরি।
ফলিক অ্যাসিড কেন জরুরি?
১। ফলিক অ্যাসিড শরীরের কোষ বিভাজন এবং ডিএনএ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২। রক্তাল্পতার সমস্যা কনমায়। শরীরে সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে। যার অভাবে অ্যানিমিয়া হতে পারে।
৩। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। অনাগত শিশুর মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের বিকাশে এটি সাহায্য করে।
৪। রক্তে হোমোসিস্টিনের মাত্রা কমিয়ে এটি হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৫। এটি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিষণ্নতা বা বিমর্ষ ভাবও কমাতে সহায়ক।
কোন কোন ফলে পাওয়া যায়?
পেয়ারা: পেয়ারার খোসায় ফলের থেকে বেশি পুষ্টি থাকে। এটি ভিটামিন সি-তেও ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ফলিক অ্যাসিড থাকে ৯১ - ৯৩ মাইক্রোগ্রাম।
আম: প্রজাতি ভেদে ফলিক অ্যাসিডের পরিমাণ সামান্য এ দিক ও দিক হতে পারে, তবে ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ফলের তালিকায় সেরা উৎস আম। প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ৬০ - ১৩৮ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড থাকে।
পেঁপেঁ: পাকা পেঁপেতে ফলিক অ্যাসিড থাকে। পাশাপাশি, এই ফল হজমেও সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে ৫৩ - ৬৫ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড থাকে।