Advertisement
E-Paper

সতর্কতা সত্ত্বেও আচমকাই হাঁপানির টান উঠতে পারে, এমন সমস্যা থাকলে কোন বিষয়ে সাবধান হবেন

সব সময়ে হাঁপানির টান যে প্রবল ভাবে দেখা দেবে, তা নয়। কখনও কখনও কিছু কারণ নিঃশব্দে শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমন কোন বিষয় নিয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ১০:৫৪
কখনও কখনও কিছু কারণ নিঃশব্দে শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কখনও কখনও কিছু কারণ নিঃশব্দে শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ছবি: সংগৃহীত।

হাঁপানির সমস্যার জন্য পরিবেশ দূষণকেই দায়ী করা হয়। তবে শুধু বাইরের দূষণ নয়, ঘরোয়া অনেক বিষয়ই এই সমস্যা নিঃশব্দে বাড়িয়ে দিতে পারে। তা ছাড়া, সব সময়ে হাঁপানির টান যে প্রবল ভাবে দেখা দেবে, তা নয়। কখনও কখনও কিছু কারণ নিঃশব্দে শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমন কোন বিষয় নিয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি?

চণ্ডীগড় নিবাসী ফুসফুসের চিকিৎসক মোহিত কৌশল জানাচ্ছেন, শুধু বাইরে নজর দেওয়াই যথেষ্ট নয়। ঘরের মধ্যেও থাকা কিছু অ্যালার্জেন নিঃশব্দে হাঁপানির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। সতর্ক হওয়া প্রয়োজন এমন সব ছোটখাটো বিষয় নিয়েও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র রিপোর্ট বলছে, ঘরের ভিতরের দূষণ ফুসফুসের সমস্যা বহু গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পোষ্যের লোম: অনেক সময় পোষ্যের লোমই বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণ ভাবে তা বোঝা যায় না, কারণ এমন ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হয় মৃদু। পোষ্যের শরীরে এবং লোমে এক ধরনের প্রোটিন থাকে, যা হাঁপানির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। বাড়িতে পোষ্য থাকলে তার লোম পরিষ্কার করা যেমন জরুরি, তেমনই বাড়ি-ঘরদোর সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখুন। শোয়ার ঘর, বসার ঘর থেকে লোম সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন। পোষ্যের কাছে গেলে যদি শ্বাসকষ্ট হয়, তার থেকে দূরে থাকাই ভাল।

সাবান: জামাকাপড় কাচার সাবান থেকেও কখনও কখনও হাঁপানির কষ্ট শুরু হতে পারে। এমনিতে তা বোঝাও যায় না। সাবানে থাকা রাসায়নিকের জন্য এমনটা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। জামাকাপড় কাচার পরে সেটি ভাল করে না ধুলে সাবানের আস্তরণ থেকে যায়। তা থেকেই হতে পারে শ্বাসকষ্ট।

ছত্রাক: ঘরে ঠিকমতো আলো-হাওয়া না খেললে, ছত্রাক জন্মায়। রান্নাঘর, স্নানঘরের ভিজে, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় তারা বাসা বাঁধে। এই ধরনের ছত্রাকও নিঃশব্দে হাঁপানির টান বা কষ্ট বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষত শিশুরা এমন ঘরে বা পরিবেশে দীর্ঘ দিন থাকলে সমস্যা হতে পারে। ঘরদোর পরিষ্কার রাখুন, আলোহাওয়া আসতে দিন।

গন্ধ: কৃত্রিম গন্ধ, চড়া সুগন্ধি, ঘর পরিষ্কার করার রাসায়নিক স্প্রে-ও ক্ষেত্রবিশেষে বিপজ্জনক হতে পারে। এগুলি নাকে গেলে শ্বাসের কষ্ট শুরু হয়ে যায় অনেক সময়। বিশেষত বাড়িতে শিশু থাকলে বা ছোটদের হাঁপানি থাকলে সতর্কতা জরুরি।

কীটনাশক স্প্রে: আরশোলা, মাকড়সা বা অন্যান্য পোকা মারার জন্য যে সব কীটনাশক স্প্রে করা হয়, বিপজ্জনক সেগুলিও। হাঁপানি থাকলে, তার সামান্যতম অংশও নাকে গেলে শরীর খারাপ হতে পারে।

Asthma remedies to cure asthma Health care
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy