গ্রীষ্মকাল মানেই তৈলাক্ত ত্বকের দুর্ভোগের দিন। যাঁদের ত্বকে তেলের ভাগ বেশি, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি ভোগেন ব্রণের সমস্যাতে। গ্রীষ্মে গোটা মুখ ভরে যায় ব্রণয়। তার উপর বাইরের চড়া রোদ, ঘাম, ধুলো জমে ব্রণর সঙ্গী হয় র্যাশ, লালচে দাগছোপ। তাই গ্রীষ্মে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিতে হবে আলাদা ভাবে। এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে ত্বক পরিচর্যায় আনতে হবে খানিক পরিবর্তন। না হলে গ্রীষ্মের কবল থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখা সহজ নয়। গ্রীষ্মে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেবেন কী ভাবে?
১) ত্বক তৈলাক্ত হলে রূপরুটিনে ফেস মাস্ক রাখতে পারেন। ত্বক তৈলাক্ত হলে ক্লে মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। ক্লে মাস্ক ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। সপ্তাহে এক বা দু’বার ক্লে মাস্ক ব্যবহার করলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাতে এবং ওপেন পোরসের সমস্যাও কমবে।
২) ত্বক আর্দ্র রাখতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতি দিন অন্তত তিন লিটার করে জল খাওয়া জরুরি। পাশাপাশি, রোজকার খাদ্যতালিকায় জল সমৃদ্ধ ফলও রাখতে পারেন। শসা, মুসাম্বি, তরমুজের মতো ফল, ডাবের জল, দইয়ের ঘোল রোজের ডায়েটে রাখুন।
৩) তৈলাক্ত ত্বক বলে ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন না। ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার না করলে ত্বকের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে অবশ্যই হালকা জেল বেস্ড ময়েশ্চাইজ়ার ব্যবহার করতে পারেন।
৪) শুধু ঋতু পরিবর্তনের সময় বলেই নয়, সারা বছরই ত্বক ভাল রাখতে দিনে দু’বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া প্রয়োজন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে শোয়ার আগে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়া জরুরি। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পরে কোনও একটি ক্রিম মুখে মেখে নিন।
৫) ব্রণ-প্রবণ ত্বকের জন্যেও রোদ থেকে সুরক্ষা অপরিহার্য। নন-কমেডোজেনিক সানস্ক্রিনগুলি রোমকূপ বন্ধ না করে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। গ্রীষ্মকালে জেল, ওয়াটার বেসড বা ম্যাট-ফিনিশ সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, কারণ এগুলি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমায় এবং ত্বকে হালকা অনুভূতি দেয়।